‘নিহতের’ খবর আসা আহমাদিনেজাদ খামেনির শোকযাত্রায়

ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদের নিহত হবার খবর বের হয়। কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শোকযাত্রায় জনসমক্ষে দেখা গেছে ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা আহমাদিনেজাদকে।
স্থানীয় সময় সোমবার তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শোকযাত্রায় কালো জ্যাকেট পরে, মুখে মাস্ক লাগিয়ে শোকাহত মানুষের ভিড়ের মধ্যে হাঁটতে দেখা গেছে তাকে।
যুদ্ধের প্রথম দিনই ইরানের শাসকগোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে আহমাদিনেজাদের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করা হয়েছিল। তার বাড়ির কাছে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হয়েছিল। এরপর কয়েক মাস তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
যদিও আহমাদিনেজাদ ছাড়া খামেনির শোকযাত্রায় ইরানের জীবিত অন্য দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানি অনুপস্থিত ছিলেন।
শোকযাত্রায় ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের অনেকেই অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্য।
আয়াতুল্লাহ খামেনির তিন ছেলে—মোস্তাফা, মাসউদ ও মেইসাম জানাজায় উপস্থিত থাকলেও আরেক ছেলে দেশটির নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে দেখা যায়নি। বাবার উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ




