ইরান যুদ্ধে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারবে যুক্তরাষ্ট্র

প্রথম দিনের কেবিনেট মিটিংয়ে বার্নহ্যাম- রয়টার্স
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যখন সামরিক উত্তেজনা নতুন করে তীব্র হচ্ছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নিজের সামরিক ঘাঁটির দরজা খুলে দিল ব্রিটেন। নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের এ সিদ্ধান্তে বজায় থাকল ইরান ইস্যুতে লন্ডনের আগের অবস্থানেরই ধারাবাহিকতা।
ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৭ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর পর পরিস্থিতি পর্যালোচনায় জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বার্নহ্যাম। বৈঠকেই যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র।
যদিও এ বিষয়ে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
এর আগে চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে ইরানে হামলার জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে প্রথমে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তা র অবস্থান ছিল, আন্তর্জাতিক আইনের শর্ত পূরণ না হলে এমন সামরিক পদক্ষেপে সমর্থন দেওয়া যাবে না।
তবে পরে ইরান ব্রিটেনের আঞ্চলিক মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পর সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন স্টারমার। এরপর যুক্তরাষ্ট্রকে ইংল্যান্ডের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড এবং ভারত মহাসাগরে অবস্থিত যৌথ যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ঘাঁটি দিয়েগো গার্সিয়া ব্যবহারের অনুমতি দেন তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা বা অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশের ওপর হামলা চালানো অব্যাহত রাখে, তাহলে ওয়াশিংটন জানাবে কঠোর সামরিক প্রতিক্রিয়া।




