যন্তর-মন্তর স্ফুলিঙ্গ ভারত জুড়ে দাবানল

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ ককরোচ জনতা পার্টির। আন্দোলনকারীদের ভিড়ে হামলা থেকে রক্ষা পেতে নিজেদের আড়াল করার চেষ্টা পুলিশের। ছবি: রয়টার্স
দিনে দিনে বড় হচ্ছে ভারতের জেন-জি আন্দোলন। গত সোমবারের ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে শুরু হওয়া যন্তর-মন্তর বিক্ষোভের স্ফুলিঙ্গ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে ভারত জুড়ে।
দিল্লির যন্তর-মন্তর ময়দানের গণ্ডি পেরিয়ে এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে। প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে শুরু হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন এখন জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, মেট্রোস্টেশন বন্ধ, সংসদে অচলাবস্থা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভের মধ্যেই বাড়ছে সরকারের ওপর চাপ। আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, আন্না হাজারে, সোনম ওয়াংচুকসহ বহু রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও ছাত্রদের দাবিতে সরকারের জবাবদিহির প্রশ্নেই গতকাল আরও তীব্র হয়েছে এই আন্দোলন। চলমান এ উত্তেজনার মধ্যেই এদিন প্রতিবেশী দেশটিতে শান্তির আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন গতকাল আরও বিস্তৃত আকার নেয়। হাজার হাজার আন্দোলনকারী অবস্থান চালিয়ে যান দিল্লির যন্তর-মন্তরে। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে দিল্লি। ১৬টি মেট্রোস্টেশন বন্ধ, কনট প্লেসে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দোকান-অফিস-রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশ এবং সংসদের অচলাবস্থার মধ্যে আন্দোলন নতুন মোড় নেয়। ছড়িয়ে পড়েছে পুরো ভারতে। পাটনা (বিহার), আহমেদাবাদ (গুজরাট), মুম্বাই, পুনে (মহারাষ্ট্র), তিরুবনন্তপুরম (কেরালা), শিলচরসহ (আসাম) ভারতের প্রায় সব শহরেই রাস্তায় নামছে ছাত্র-যুবরা। সমানতালে চলছে ধরপাকড়ও। এরই মধ্যে প্রায় ৯০০ জনের বিরুদ্ধে ৮টি এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার (আজ) দেশ জুড়ে আরও বৃহত্তর বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ককরোচ।



