Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রুবেলের উদ্যোগে ১৩০০ মানুষের কর্মসংস্থান
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ইউরোপ

জার্মানির ঐক্যের ৩৬ বছরে পূর্ব-পশ্চিমের দূরত্বে ডানপন্থার উত্থান

জার্মানি প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৩৫
জার্মানির ঐক্যের ৩৬ বছরে পূর্ব-পশ্চিমের দূরত্বে ডানপন্থার উত্থান

জার্মানির পূর্ব ও পশ্চিম অংশ এক হওয়ার ৩৬ বছর পূর্ণ হলো। দীর্ঘ এই সময়ে দুই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবধান কমেছে, কিন্তু রাজনৈতিক ও মানসিক দূরত্ব পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। বিশেষ করে পূর্ব জার্মানিতে কট্টর ডানপন্থী দল অলটারনেটিভ ফর ডয়েসল্যান্ড (এএফডি) এর শক্তিশালী অবস্থান নতুন করে আলোচনায় এনেছে জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ। এ পরিস্থিতিতে উগ্রপন্থার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জার্মানির প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক ওয়াল্টার স্টাইনমায়ার।

শনিবার (৩ অক্টোবর) জার্মান ঐক্য দিবস উপলক্ষে পশ্চিমের শহর ব্রেমেনে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানে স্টাইনমায়ার বলেন, উগ্রপন্থীদের রাজনৈতিক উসকানি, অন্যদের উপহাস ও হুমকি দেওয়ার প্রবণতা শুধু স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য নয়, দেশের অভ্যন্তরীণ ঐক্যের জন্যও হুমকি। তিনি বলেন, কয়েক দশকের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের পরও দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি নাগরিকদের একটি বড় অংশের আস্থা কমেছে। গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ রক্ষায় এখন আরও দৃঢ় পদক্ষেপ প্রয়োজন।

স্টাইনমায়ার সাম্প্রতিক অনুষ্ঠিত কয়েকটি নির্বাচনে এএফডির সাফল্যের প্রসঙ্গ তুললেও ভাষণে দলটির নাম উল্লেখ করেননি। তিনি আরো বলেন, ভোটারদের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিতে হবে। তবে বিপুলসংখ্যক ভোটার যখন দেশের গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন, তখন সেই বাস্তবতাও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তার মতে, উগ্রপন্থী রাজনীতির সমর্থকেরা নিজেদের অধিকারের কথা বললেও অন্যদের অধিকার খর্ব করার ঝুঁকি তৈরি করেন। বেকারত্ব, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং পূর্ব জার্মানির মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ পদে যথেষ্ট সুযোগ না দেওয়ার মতো বিষয়ও রাজনৈতিকভাবে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

দুই জার্মানি এক হওয়ার ইতিহাস

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে জার্মানি আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণাধীন পূর্বাঞ্চলে গড়ে ওঠে সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানি, আর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের নিয়ন্ত্রণাধীন পশ্চিমাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয় পশ্চিম জার্মানি। ১৯৬১ সালে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনের মধ্যে নির্মিত হয় বার্লিন প্রাচীর। দীর্ঘ ২৮ বছর পর ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর প্রাচীরের সীমান্ত খুলে দেওয়া হয়। গণ-আন্দোলন, গণতান্ত্রিক পরিবর্তন ও রাজনৈতিক সমঝোতার ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর দুই জার্মানি এক হয়। সেই দিন থেকেই ৩ অক্টোবর দেশটির জাতীয় ছুটির দিন ‘জার্মান ঐক্য দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

ঐক্যের পরও কেন ব্যবধান

পুনরেকত্রীকরণের পর পূর্ব জার্মানির অবকাঠামো, অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার উন্নয়নে ব্যাপক বিনিয়োগ হয়েছে। তবু দুই অঞ্চলের মানুষের অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পার্থক্য রয়ে গেছে। পূর্বাঞ্চলের কিছু মানুষের মধ্যে নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয়, বঞ্চনা ও পশ্চিমের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অভিজাত শ্রেণির প্রতি অসন্তোষ রয়েছে। এএফডি এসব অনুভূতিকে রাজনৈতিক সমর্থনে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে বিশ্লেষকদের মত। জনসংখ্যা হ্রাস, কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগ এবং স্থানীয় অবকাঠামোর সংকটও কিছু এলাকায় অসন্তোষ বাড়াচ্ছে। তবে এএফডির সমর্থন শুধু পূর্বাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়, দলটি পশ্চিম জার্মানিতেও উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছে।

জার্মান প্রবাসী ড. শফিকুল ইসলাম আগামীর সময়কে বলেন, পূর্বাঞ্চলের মানুষের একটি অংশের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক অতীতের স্মৃতি ও রাশিয়ার প্রতি ঐতিহাসিক আবেগ এখনো রয়েছে। এএফডির রাশিয়াপন্থী অবস্থানও কিছু ভোটারের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চলের মানুষের মধ্যে নিজেদের পরিচয় ও বঞ্চনার অনুভূতি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে। এএফডি সেই মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে পশ্চিম জার্মানির প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তিগুলোর বিকল্প হিসেবে নিজেদের তুলে ধরছে।

প্রবাসী এই সংগঠকের মতে, পূর্ব জার্মানির কোনো রাজ্যে এএফডি সরকার গঠন করলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্পর্ক এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হতে পারে। দলটির কিছু শাখা ও সংগঠনকে জার্মানির সাংবিধানিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি হিসেবে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যবেক্ষণ করেছে। তবে পূর্ব ও পশ্চিমের ব্যবধান কমাতে শুধু অর্থনৈতিক বৈষম্য পরিমাপ করাই যথেষ্ট নয়। দুই অঞ্চলের মানুষের অভিজ্ঞতা ও পরিচয়ের পার্থক্য স্বীকার করে পারস্পরিক বোঝাপড়াও বাড়াতে হবে।

পূর্ব ও পশ্চিমে বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতা

জার্মানির দুই অঞ্চলে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের অভিজ্ঞতাতেও কিছু পার্থক্যের কথা উঠে এসেছে। পূর্ব জার্মানির সাক্সনি আনহাল্টে বসবাসকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সোহেল রানা আগামীর সময়কে বলেন, তার অভিজ্ঞতায় পূর্বাঞ্চলের মানুষের সঙ্গে সহজে মেশা তুলনামূলক কঠিন। কর্মক্ষেত্রেও বিদেশিদের সব সময় সমানভাবে দেখা হয় না বলে তিনি মনে করেন। তিনি আরো বলেন, বৈষম্য সব সময় সরাসরি বোঝা যায় না; কখনো আচরণ ও সামাজিক যোগাযোগের মধ্য দিয়ে তা অনুভব করা যায়। সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলেও বিদেশিদের নিয়ে রাজনৈতিক মনোভাবের প্রতিফলন দেখা গেছে বলে তিনি মনে করেন।

অন্যদিকে, পশ্চিম জার্মানির হামবুর্গে বসবাসকারী বাংলাদেশি ইমরান হোসাইন ইমনের অভিজ্ঞতা কিছুটা ভিন্ন। তিনি বলেন, তার কাছে হামবুর্গের মানুষের আচরণ তুলনামূলকভাবে সহনশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ মনে হয়েছে। পূর্বাঞ্চলে বৈষম্যের কথা শুনলেও হামবুর্গে তিনি তেমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হননি বলে জানান। তার অভিজ্ঞতায়, ভাষাগত সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও কাজ ও শিক্ষার ক্ষেত্রে সুযোগ পাওয়া সম্ভব।

জার্মানিডানপন্থার উত্থান
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    সবাইকে জামিন দিক, আমাদের সেফ কাস্টডিতে রাখুক

    সবাইকে জামিন দিক, আমাদের সেফ কাস্টডিতে রাখুক

    ইয়েতির হাত!

    ইয়েতির হাত!

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে যুবককে মারধর

    কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে যুবককে মারধর

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’, সৌদি থেকে রেহেনার আকুতি

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’, সৌদি থেকে রেহেনার আকুতি

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    মোবাইলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

    মোবাইলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?