নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যে গোপন পথে ইরানে ঢুকছে চীনা পণ্য

চীনের বেইজিংয়ে বৈঠকের সময় হাত মেলাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ফাইল ছবি / রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, বন্দরে নৌ অবরোধ, ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কড়া নজরদারি। সব মিলিয়ে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
কিন্তু এত চাপের মধ্যেও একটি পথ খোলা ছিল। সেটি চীন। ইরান তেল দিচ্ছে। চীন দিচ্ছে পণ্য। মাঝখানে সরাসরি টাকা লেনদেন হচ্ছে না।
অনেকটা পণ্য বিনিময়ের মতো এই ব্যবস্থায় গত এক বছরে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি ডলার লেনদেন হয়েছে বলে রয়টার্সের অনুসন্ধানে জানা গেছে। এই অর্থ দিয়ে ইরান ওষুধ, গাড়ি, যোগাযোগ সরঞ্জামসহ নানা পণ্য কিনেছে।
এমনকি সামরিক সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রেও এই ব্যবস্থা অন্তত একবার ব্যবহার হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে এসব সামরিক লেনদেনের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।
এখানেই এ চক্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নিষেধাজ্ঞা এড়াতে তেহরান যে ব্যবস্থা তৈরি করেছে, তা শুধু ইরান টিকিয়ে রাখছে না। চীনকেও সস্তায় ইরানের তেল পাওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।
কীভাবে চলছে এই ব্যবস্থা
ইরান তেল বিক্রি করবে। চীনের ক্রেতা অর্থ দেবে। সে অর্থ আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যাবে। এটাই হওয়ার কথা। কিন্তু ইরানের ক্ষেত্রে সেই পথ প্রায় বন্ধ।
দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা দেশটির ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার বাইরে ঠেলে দিয়েছে। তাই ইরান অন্য পথ নিয়েছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, চীনা তেল ক্রেতাদের দেওয়া অর্থ একটি বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে জমা হয়। এর একটি অংশ যায় ইরানের অবকাঠামো প্রকল্পে। বাকি অংশ রাখা হয় একটি বিশেষ তহবিলে।
এই তহবিল থেকেই চীনা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থ দেওয়া হয়।
বিষয়টি এরকম— ইরান তেল বিক্রি করল, অর্থ সরাসরি ইরানে গেল না, সেই অর্থের বিপরীতে চীনা পণ্য ইরানে গেল।
এতে আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর নির্ভরতা কমে যায়। এটাই এই ব্যবস্থার মূল শক্তি।
২০০ থেকে ২৫০ কোটি ডলারের গোপন তহবিল
রয়টার্সের কাছে পাঁচটি সূত্র বলেছে, এই বিশেষ ব্যবস্থায় গত এক বছরে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি ডলার লেনদেন হয়েছে।
এর প্রায় ৭০ শতাংশ অর্থ অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।
বাকি অর্থ গেছে এমন একটি বিশেষ তহবিলে, যেখান থেকে ইরানে পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওনা পরিশোধ করা হয়।
তবে ব্যবস্থাটির সবচেয়ে রহস্যময় অংশ হলো এর আর্থিক কাঠামো।
রয়টার্স যে ‘চুইশিন’ নামের একটি চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কথা জানতে পেরেছে, চীনের কোম্পানি নিবন্ধনে সেই নামে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
একটি সূত্র এমনও বলেছে, এটি হয়তো বাস্তবে কোনো প্রতিষ্ঠানই নয়। শুধু হিসাবের তালিকায় থাকা একটি নাম হতে পারে।
রয়টার্সও এই কাঠামোর সব অংশ স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
অর্থাৎ এখানে শুধু নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর বিষয় নয়। পরিচয় গোপন রাখাটাও এই ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ইরানের জন্য এটি এত গুরুত্বপূর্ণ কেন
কারণ তেলই ইরানের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান আয়ের উৎস। আর সেই তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন।
২০২৫ সালে ইরান থেকে সমুদ্রপথে পাঠানো তেলের ৮০ শতাংশের বেশি চীন কিনেছিল। গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল তেল চীনে গেছে বলে জানিয়েছে পণ্যবাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার।
অর্থাৎ ইরানের তেল বিক্রির পথ প্রায় বন্ধ হয়ে গেলেও চীনের মতো একটি বড় দরজা খোলা ছিল। কিন্তু এখন সেই দরজাতেও চাপ বাড়ছে।
জুলাইয়ের মাঝামাঝি যুক্তরাষ্ট্র আবার ইরানের ওপর নৌ অবরোধ জোরদার করার পর চীনে ইরানি তেল পাঠানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ১৪ জুলাই অবরোধ পুনর্বহালের পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো ইরানি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ সফলভাবে চীনে পৌঁছাতে পারেনি বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
ফলে ইরানের সামনে এখন দ্বিগুণ চাপ। একদিকে তেল বিক্রির পথ আটকে যাচ্ছে। অন্যদিকে তেল বিক্রি করলেও অর্থ ব্যবহারের পথ সীমিত।
এই অবস্থায় চীনের সঙ্গে তৈরি করা গোপন বাণিজ্যব্যবস্থা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
চীনের লাভ কোথায়
এখানে বেইজিং নিছক ইরানকে সাহায্য করছে—বিষয়টি এত সরল নয়। চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ।
ইরানের তেল সাধারণত বাজারদরের তুলনায় কম দামে পাওয়া যায়। ফলে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য চীনের জন্যও লাভজনক।
চীন একদিকে সস্তা তেল পাচ্ছে। অন্যদিকে নিজের পণ্য ইরানের বাজারে বিক্রি করতে পারছে।
আর সরাসরি আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় না গিয়ে লেনদেন করায় চীনা ব্যাংক ও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও তুলনামূলকভাবে নিরাপদ থাকছে।
এটাই ব্যবস্থাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভারসাম্য। ইরানের দরকার বাজার ও অর্থ। চীনের দরকার সস্তা তেল।
দুই পক্ষের প্রয়োজন এক জায়গায় এসে মিশেছে।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কেন সবকিছু বন্ধ করতে পারছে না
এখানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বড় একটি সীমাবদ্ধতা আছে। ওয়াশিংটন ইরানের তেল কেনা ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত কিছু ছোট চীনা প্রতিষ্ঠানকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে।
কিন্তু চীনের সবচেয়ে বড় ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর একই ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
কারণ তার প্রভাব শুধু ইরান বা চীনের ওপর পড়বে না। বিশ্ব অর্থনীতিতেও ধাক্কা লাগতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও বড় বিষয় হলো চীন।
চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থায় তার ভূমিকা বিশাল।
তাই চীনের বড় ব্যাংকগুলোকে লক্ষ্য করে নিষেধাজ্ঞা দিলে তার প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে।
এই কারণেই ওয়াশিংটন চাপ বাড়ালেও এখনও সীমিত জায়গায় আঘাত করছে।
পুরো ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো ‘প্লজিবল ডিনায়েবিলিটি’।
সহজ ভাষায় এর অর্থ হলো—কোনো লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলেও সরাসরি দায় অস্বীকার করার সুযোগ রাখা।
চীন ঠিক সেটিই করতে চাইছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
রয়টার্সকে ইউনিভার্সিটি অব এক্সেটারের শিক্ষক আন্দ্রেয়া ঘিসেল্লি বলেছেন, চীন এমন ব্যবস্থা ব্যবহার করছে যাতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে তাকে নতি স্বীকার করতে না হয়।
কিন্তু একই সঙ্গে চীনের নেতারা চান না তাদের ব্যাংক বা বড় কোম্পানিগুলো আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ুক।
তাই দরকার এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে তেলও আসবে, বাণিজ্যও চলবে, কিন্তু সরাসরি দায় নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
এই ব্যবস্থা নতুন নয়
এই ব্যবস্থা হঠাৎ তৈরি হয়নি। সূত্রগুলো বলেছে, অন্তত ২০২১ সাল থেকে এটি চালু আছে। শুরুতে এর ব্যবহার ছিল তুলনামূলকভাবে সহজ।
ওষুধ ও করোনার টিকা ইরানে পাঠানো হয়েছিল এই ব্যবস্থার মাধ্যমে। পরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে থাকলে এর গুরুত্বও বেড়েছে।
এখন ওষুধের পাশাপাশি গাড়ি, যোগাযোগ সরঞ্জাম এবং অন্যান্য পণ্যও এর আওতায় এসেছে।
অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে এটি একটি বড় বাণিজ্যিক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। আর এখানেই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নীতির একটি বড় প্রশ্ন সামনে আসে।
নিষেধাজ্ঞা কি সত্যিই বাণিজ্য বন্ধ করতে পারে, নাকি শুধু বাণিজ্যের পথ আরও গোপন করে দেয়?
এই অনুসন্ধানের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশ হলো সামরিক সরঞ্জাম।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, গত এক বছরে অন্তত একবার ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার চুক্তির সঙ্গে এই ব্যবস্থার ব্যবহার যুক্ত ছিল।
চুক্তির মূল্য ছিল কয়েক মিলিয়ন ডলার। তবে কী সরঞ্জাম কেনা হয়েছিল বা কোন চীনা প্রতিষ্ঠান এতে যুক্ত ছিল, তা জানায়নি সূত্রগুলো।
রয়টার্সও এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
এখানে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইরানের ওপর জাতিসংঘের বেশির ভাগ বড় ধরনের প্রচলিত অস্ত্র রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা আবার কার্যকর হয়।
তাই এই ধরনের সামরিক বাণিজ্য হলে তার আইনি ও কূটনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশি।
চীন ও ইরান অবশ্য পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞাকে একতরফা ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিহীন বলে মনে করে।
এবার মার্কিন অবরোধ কী পরিস্থিতি বদলে দিচ্ছে
এখানেই নতুন সংকট। এতদিন ইরানের জন্য বড় সুবিধা ছিল—তেল বিক্রি করা যাচ্ছে। চীনের জন্য সুবিধা ছিল—সস্তায় তেল পাওয়া যাচ্ছে।
কিন্তু হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ সেই ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটিতেই আঘাত করেছে। তেল যদি চীনে পৌঁছাতেই না পারে, তাহলে তেলের বিনিময়ে পণ্য কেনার ব্যবস্থাও কতটা কার্যকর থাকবে?
এটাই এখন বড় প্রশ্ন। রয়টার্সের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, অবরোধের কারণে চীনা ক্রেতাদের কাছে ইরানি তেলের সরবরাহ কমেছে এবং দামও বেড়েছে।
অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র এবার শুধু ব্যাংকিং ব্যবস্থা নয়, তেলের শারীরিক চলাচলের পথও বন্ধ করতে চাইছে।
এটি আগের নিষেধাজ্ঞার চেয়ে অনেক কঠিন চাপ।
তারপরও চীন-ইরান সম্পর্ক ভাঙবে কি
এখনই এমন কোনো লক্ষণ নেই। চীন ও ইরান দীর্ঘদিনের অংশীদার।
২০২১ সালে তারা ২৫ বছরের একটি কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি করেছিল। জ্বালানি থেকে অবকাঠামো—বিভিন্ন খাত এতে রয়েছে।
চীন প্রকাশ্যেই বলেছে, জাতিসংঘের অনুমোদন ছাড়া একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে তারা।
তবে তার মানে এই নয় যে চীন ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে যাবে।
বরং চীনের কৌশল অনেক বেশি হিসাবি।
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য থাকবে, সস্তা তেলও থাকবে। কিন্তু চীনের বড় ব্যাংক ও কোম্পানিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হবে না।
এই ভারসাম্যই বেইজিংয়ের আসল লক্ষ্য বলে মনে হচ্ছে।
শেষ পর্যন্ত কে কতটা সফল হবে
এখন পর্যন্ত ইরান একটি বিষয় প্রমাণ করেছে। নিষেধাজ্ঞা যত কঠিনই হোক, বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করা সহজ নয়।
ব্যাংক বন্ধ করা যায়, কোম্পানিকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যায়, জাহাজ আটকে দেওয়া যায়। কিন্তু তখন নতুন পথ তৈরি হয়।
ছোট কোম্পানি আসে, গোপন আর্থিক ব্যবস্থা তৈরি হয়, পণ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা হয়। তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে লেনদেন হয়।
চীন ও ইরানের এই ব্যবস্থাটি তারই উদাহরণ। তবে এবার পরিস্থিতি বদলেছে।
হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের কারণে ইরানের তেল চীনে পৌঁছানোই কঠিন হয়ে পড়ছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে ইরানকে আরও বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে।
তাই আগের পথগুলো ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে। তারপরও পুরো দরজা বন্ধ করা কঠিন।
কারণ এখানে শুধু ইরান নেই। আছে চীনের জ্বালানি চাহিদা। আরও আছে সস্তা তেলের আকর্ষণ। দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের সঙ্গে আছে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির চীনা আগ্রহ।
তাই আসল লড়াই শুধু ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার নয়। এটি আরও বড় একটি লড়াই।
একদিকে যুক্তরাষ্ট্র চায়, ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে ইরান যেন বাণিজ্য চালাতে না পারে।
অন্যদিকে চীন ও ইরান দেখাতে চাইছে, সেই ব্যবস্থার বাইরে থেকেও বাণিজ্য চালানো সম্ভব।
এই লড়াইয়ে কে শেষ পর্যন্ত জিতবে, তা শুধু ইরানের অর্থনীতি নয়—ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যব্যবস্থার চরিত্রও ঠিক করতে পারে।
সূত্র : রয়টার্স








