হরমুজ প্রণালিতে তেল পরিবহন যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরেছে, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরে এসেছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। একই সময়ে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডটকম জানিয়েছে, নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের পর ইরান ৫ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে।
জেডি ভ্যান্স বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি এখন উন্মুক্ত। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আগের তুলনায় আরও বেশি তেল এ পথ দিয়ে রপ্তানি হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো কোনো দিনে যুদ্ধ শুরুর আগের সময়ের চেয়েও বেশি তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে বের হচ্ছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, বিশ্ব অর্থনীতি আবারও সচল হতে শুরু করেছে। পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে আমরা ইতোমধ্যেই তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে দেখেছি।’
লেবানন ও ইসরায়েলের শান্তি চুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের প্রসঙ্গ তুলে ভ্যান্স মন্তব্য করেন, ‘এই দুটি নথির মূল বক্তব্যই হলো, লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করা হবে।’
এদিকে জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ট্যাংকারট্র্যাকার্স ডটকম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি রপ্তানির ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের পর ৫ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে দেশটি। প্রতিষ্ঠানটির হিসাবে, ২০২৬ সালের জুন মাসে ইরানের দৈনিক গড় তেল রপ্তানি ছিল প্রায় ১৬ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল।
প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের বেশির ভাগ দেশের তেল রপ্তানি এখনও যুদ্ধপূর্ব পর্যায়ে ফিরতে পারেনি।
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইরানের জ্বালানি রপ্তানির ওপর থাকা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। পরে ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের অপরিশোধিত তেল উৎপাদন ও বিক্রির জন্য ৬০ দিনের অনুমোদন জারি করে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ।




