Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় স্বাস্থ্য

সিলগালা কক্ষের চাবি পেয়েছে আদ্-দ্বীন

মুসলিমা জাহান সেতু
মুসলিমা জাহান সেতু
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:০২
সিলগালা কক্ষের চাবি পেয়েছে আদ্-দ্বীন

সংগৃহীত ছবি

হাসপাতালের যে কক্ষে ঝরেছিল ছয় নবজাতকের প্রাণ, সিলগালা করা সেই পোস্ট অপারেটিভ কক্ষের চাবি ফিরে পেয়েছে আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই পদক্ষেপের পর লাইসেন্স ফেরত পাওয়ার বিষয়েও আশা দেখছেন হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, চাবি পাওয়ার পর এখন তাদের কাজ হলো কক্ষটির সংস্কার করা। শিগগির সেটি শুরু করা হবে।

লাইসেন্স ফেরত চেয়ে এরই মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন করেছে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল। একই সঙ্গে অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে নানা বিষয়ে চলছে আলোচনাও।

অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, হাসপাতালের লাইসেন্স ফেরত দেওয়ার বিষয়ে কিছুটা ইতিবাচক অবস্থায় রয়েছে অধিদপ্তর।

এজন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি।

গত ২৭ মে কোরবানির ঈদের আগের দিন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ কক্ষে মারা যায় ছয় নবজাতক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্তে কর্তৃপক্ষের গাফিলতির প্রমাণ মেলে। জানা যায়, পোস্ট-অপারেটিভ কক্ষে দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকায় অক্সিজেন স্বল্পতার কারণেই মৃত্যু হয় এই নবজাতকদের। এরপর গত ১১ জুন হাসপাতালটির লাইসেন্স স্থগিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বললেন, ‘হাসপাতালটিতে অনেক গরিব রোগী চিকিৎসা নেয়। আবার শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের বিষয় আছে। সরকার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে দেখছে।’

কথা হলো আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক তারিকুল ইসলাম মুকুলের সঙ্গেও। তিনি আগামীর সময়কে বলছিলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালের সংস্কার চলবে। আমরা এরই মধ্যে সিলগালা কক্ষের চাবি হাতে পেয়েছি। আশা করছি, সংস্কারের পর দ্রুত হাসপাতালের লাইসেন্স ফেরত পাবো।’

কী কী সংস্কার করা হবে— জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বললেন, পোস্ট-অপারেটিভ কক্ষের দরজা-জানালা প্রশস্ত করা হবে, যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে। বিধি অনুযায়ী শয্যা বণ্টন করা হবে। পাশাপাশি হাসপাতাল চালুর আগে চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফদের নিয়ে করণীয় সম্পর্কে জানাতে হবে সেমিনার।

ঝুলে আছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাগ্য: হাসপাতাল বন্ধ থাকায় বন্ধ রয়েছে আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপও। মেডিকেল কলেজের লাইসেন্স বাতিল না হলেও হাসপাতাল যেহেতু বন্ধ, তাই প্র্যাকটিস করার সুযোগ পাচ্ছেন না ৮৪ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভারতীয় নাগরিক।

নীতিমালার কারণে এই শিক্ষার্থীদের অন্য কোনো হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ নেই। এ কারণে থেমে আছে তাদের শিক্ষাজীবন। স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার নিয়ে উদ্বিগ্ন ও হতাশ তারা। পাশাপাশি বাড়তি সময় প্রয়োজন হলে বাড়বে থাকা-খাওয়াসহ অন্যান্য ব্যয়ও। সেটিও ভাবাচ্ছে এই শিক্ষার্থীদের।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তির জাতীয় নীতিমালা (সর্বশেষ) অনুযায়ী, বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সঙ্গে হাসপাতাল থাকার বাধ্যবাধকতা আছে। পাশাপাশি কারিকুলাম অনুযায়ী, শিক্ষা কার্যক্রম শেষ করার পরে ওই প্রতিষ্ঠানেই ইন্টার্ন করা বাধ্যতামূলক। কোনোভাবেই অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের জন্য মাইগ্রেশন করা যাবে না।

ভারতের ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশনের বিদেশি মেডিকেল স্নাতকদের লাইসেন্স ও নিবন্ধন নীতিমালা ২০২১ অনুযায়ী, প্রত্যেক বিদেশি মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটকে অবশ্যই একই প্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম ১২ মাসের ইন্টার্নশিপ করতে হবে। বিধিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণ কোর্স ও ইন্টার্নশিপ একই প্রতিষ্ঠানে অবিচ্ছিন্নভাবে শেষ করার আইনি বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। অন্য হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ করলে ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেটি গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা না-ও করতে পারে। সবমিলিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা পড়েছেন বিপাকে। এক ইন্টার্ন চিকিৎসক বললেন, ‘মেডিকেলের পড়াশোনা শেষ করতে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে। সেখানে ইন্টার্নশিপ বন্ধ থাকায় হতাশা ভর করছে। সরকার নিশ্চয়ই আমাদের ক্যারিয়ারের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।’

নিজেদের শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে কাজ করতেন জানিয়ে ভারতীয় এক ইন্টার্ন চিকিৎসক বললেন, ‘নিজস্ব হাসপাতালে হাতে-কলমে কাজ করছিলাম। এ অবস্থায় হাসপাতাল স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে গেলে পড়াশোনা, ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়বে।’

গত ২৩ জুন আদ্-দ্বীন উইমেন্স কলেজের শিক্ষার্থীরা নিবন্ধন বাতিলের পরের জটিলতা নিয়ে কথা বলতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন। সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ভবনে যান ২৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। তবে তারা সচিবের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি। তারিকুল ইসলাম মুকুল জানালেন, শিক্ষার্থীদের এসব সমস্যার বিষয় জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখন অধিদপ্তর শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বলেই বিশ্বাস তার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরআদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষআদ্-দ্বীন হাসপাতাল
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise