
তারিখ
বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
সময়
22:00:00
ভেন্যু
আটলান্টা
৭৫ থেকে ৮৬। ১১ মিনিটে জোড়া বিস্ফোরণে ইংল্যান্ডকে শেষ ষোলতে নিয়ে গেলেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। সপ্তম মিনিটে পাওয়া লিড ধরে রেখে মহা অঘটনের পথে হাটা কঙ্গোকে শেষ পর্যন্ত একাই হারিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
চিতার থাবায় রক্তাত্ব হয়েছিল সিংহ। তবে শেষ লড়াইয়ে ঠিকই চিতাকে হারিয়ে রাজা হয়ে থাকলো সিংহ। সপ্তম মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গার গোলে লিড নিয়েছিল কঙ্গো। এরপর থেকেই শুরু ইংল্যান্ডের মরিয়া চেষ্টা আর কঙ্গো কিপার লিওনেল এমপাসির অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ। রাশফোর্ড, বেলিংহাম, কেইনদের একের পর এক আক্রমন রুখে দিয়ে কঙ্গোর ইতিহাসের নায়ক হয়ে যেতে পারতেন এমপাসি। তবে মাঠে কেইন ছিলেন বলেই, সে স্বপ্ন সত্যি হয়নি। শেষ পর্যন্ত কেইনের কাছে হারতে হলো এমপাসিকে। জোড়া গোলে এনে দিলেন মহা গুরুত্বপূর্ণ জয়।
টানা তিন বিশ্বকাপে গোল করার ডেভিড ব্যাকহামের অনন্য রেকর্ডে আগেই ভাগ বসিয়েছিলেন। এই বিশ্বকাপে পাঁচ গোল করে ভালোভাবেই থাকছেন গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে। সব মিলিয়ে ১৩ গোল করলেন বিশ্ব মঞ্চে। আগের ম্যাচেই গ্যারি লিনেকারের ১১ গোলের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছুঁয়েছিলেন। দুই গোল করে এখন ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রেকর্ডটা এখন কেইনের।
এদিকে কঙ্গো ৫২ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফেরাটা স্মরণীয় করেছিল সেরা ৩২-এ এসে। প্রথমে গোল করে ইংল্যান্ডকে বিদায় করার স্বপ্নও দেখেছিল তারা। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই করে হারের সান্ত্বনা নিয়েই দেশে ফিরতে হবে আফ্রিকার দলটিকে।
৮৬ মিনিটে আবারও জাত চেনালেন কেইন। গর্ডনের আড়াআড়ি পাস বক্সের ওপর পেয়ে জায়গা করে নিয়ে ডান পায়ের জোড়ালো শটে জাল খুঁজে নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক
অবশেষে ইংল্যান্ডের গোল...
৭৫ মিনিটে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরালেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। বক্সের বাঁ দিক থেকে গর্ডনের ক্রসে কেইনের হেড ঝাঁপিয়ে গ্লাভস ছোঁয়ালেও রুখতে পারেননি কঙ্গো কিপার এমপাসি।
চলতি বিশ্বকাপে চতুর্থ গোল পেলেন কেইন। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপে পেলেন ১২তম গোলের দেখা।
ইউরো ২০২৪-এর ফাইনালে ওঠার পথে টানা তিনটি নকআউট ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে জিতেছিল ইংল্যান্ড। প্রথমে গোল হজম করেও তারা হারিয়েছিল স্লোভাকিয়া, সুইজারল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসকে। এবার কি আটলান্টায়ও আরেকটি দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখতে পারবে টুখেলের দল?
দ্বিতীয়ার্ধ শুরু...
বারবার ত্রাতার ভূমিকা নিয়ে কঙ্গোর লিড অক্ষুন্ন রাখেন গোলকিপার এমপাসি। বারবার ইংলিশ ফরোয়ার্ডদের হতাশ করেন তিনি।
ম্যাচে এখন বিরতি।
বিপর্যয় এড়াতে ইংল্যান্ডের হাতে আর ৪৫ মিনিট।
৩৫ মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ড গোলের উদ্দেশে শট নিয়েছিলেন। তবে শটটি গোললাইন থেকে অসাধারণভাবে ব্লক করেন কঙ্গো ডিফেন্ডার অ্যারন ওয়ান-বিসাকা।
৩০ মিনিটে নিশ্চিত গোল হাতছাড়া হয় ইংল্যান্ডের গোল মুখ থেকে সতীর্থের ক্রসে জুড বেলিংহামের জোড়ালো হেড শেষ মুহূর্তে দারুণভাবে রুখে দিয়ে কঙ্গোর লিড বাঁচিয়ে রাখেন কিপার এমপাসি।
গোওওওওওওল!!!!
সপ্তম মিনিটেই বড় অঘটনের ইঙ্গিত দিয়ে এগিয়ে গেল কঙ্গো। বাঁ দিক থেকে আক্রমনে উঠে এমবেম্বার ক্রস ধরে আড়াআড়ি শটে ইংল্যান্ড কিপার পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন ব্রায়ার্ন সিপেঙ্গা।
দেশের হয়ে এটি সিপেঙ্গার প্রথম গোল।
আটলান্টায় কঙ্গোর বিপক্ষে খেলতে নেমেছে ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপে আফ্রিকার কোনো দলের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত খেলা ৯টি ম্যাচের একটিতেও হারেনি থ্রি লায়ন্সরা। ৫ জয় ও ৪ ড্রয়ের রেকর্ড সঙ্গী করে নেমেছে তারা।। এই ৯ ম্যাচের মধ্যে ৭টিতেই তারা প্রতিপক্ষকে গোল করতে দেয়নি।