আসল লড়াই হবে মাঝমাঠে

পর্তুগাল রাউন্ড অব থার্টি টুর ম্যাচটি খেলেছিল ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে এবং সেই ম্যাচে ২-১ গোলে জয়ী হয়। অন্যদিকে স্পেন অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোতে আসে।
আজ দুদল মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচে মাঝমাঠে হবে মূল লড়াইটা। স্পেন ৪-২-৩-১ অথবা ৪-৩-৩ ফরমেশনে খেললে তাদের মাঝমাঠে থাকবেন রোদ্রি, পেদ্রি ও দানি অলমো এবং স্পেনের কোচের ট্যাকটিকসটাই হবে বল পজিশনটা মাঝমাঠে রিটেইন করা, এটাকে মনোপলাইজ করা, যত দ্রুত শর্ট পাসের রিসাইকেল করা। এটা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে যে, পর্তুগালের মিডফিল্ড— বিশেষ করে ভিতিনিয়া এবং জোয়াও নেভেসকে বল দখলের লড়াইয়ে পেছনে ফেলা এবং তাদের দ্রুত ক্লান্ত করে ফেলা।
একই সঙ্গে ওয়াইড এরিয়ায় নুনো মেন্দেসের সঙ্গে লামিন ইয়ামালের ওয়ান অন ওয়ান ডুয়েলটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। লামিন ইয়ামাল তার ট্রিকানি দিয়ে ওয়াইড এরিয়া থেকে এক্সপ্লয়েট করে ক্রস ফেলার চেষ্টা করবেন এবং একই কাজ অ্যালেক্স বায়ানাও করতে চাইবে লেফট ফ্ল্যাঙ্ক এরিয়ায়। তাদের সঙ্গে যুক্ত হবে কুকুরেয়া।
এটা হচ্ছে স্পেনের আসলে ট্যাকটিকস এবং যখন তারা ওয়াইড এরিয়া থেকে ক্রস করতে চাইবে, সেখানে দুজন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার পেদ্রি এবং দানি ওলমো পেছন থেকে এসে ওয়ারসাবালের সঙ্গে ওভারলোড করার চেষ্টা করে এবং গোলের সুযোগগুলো কাজে লাগানোর চেষ্টা করে।
মূল চ্যালেঞ্জটাই হচ্ছে ট্রানজিশনে স্পেনের মিডফিল্ড। পর্তুগালের মিডফিল্ডকে বল পজিশন প্রোগ্রেস করার ক্ষেত্রে কীভাবে নিউট্রালাইজ করা— এগুলো হবে বড় চ্যালেঞ্জ। স্পেন পজিশন বেজড ফুটবল খেলতে পছন্দ করে। এর সঙ্গে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো যেহেতু পর্তুগালে রয়েছে, পর্তুগাল একটা জিনিস সবসময় করতে চায়— সেটা হচ্ছে ওয়াইড এরিয়া থেকে তাকে লক্ষ্য করে ক্রস অ্যাটেম্প্ট করা।
দুদলের কোচের ট্যাকটিকস এবং গেমপ্ল্যানটাই হবে মাঝমাঠকেন্দ্রিক। মিডফিল্ডে দুই দলই চাইবে প্রাধান্য বিস্তার করতে। পর্তুগালের মিডফিল্ড লাইনও এই বিশ্বকাপে আমার দেখা সেরা এবং স্পেনের কথা তো বললামই। তাই এটা একটা খুব ইন্টারেস্টিং ম্যাচ হবে। স্পেন এটা মনে রাখবে যে, সর্বশেষ উয়েফা নেশনস লিগের ফাইনালে টাইব্রেকারে পর্তুগালের কাছে তারা হেরেছিল।




