আরও উন্নতি চান ভিনিসিয়ুস

মরক্কো তখন এক গোলে এগিয়ে আছে। ব্রাজিলকে ম্যাচে ফিরতে হবে। ইগোর থিয়াগো, লুকাস পাকেতারা যেন অকার্যকর হয়ে পড়েছেন। সাইডলাইন থেকে নেইমার তখন চিৎকার দিয়ে বলছেন বল ভিনিসিয়ুসকে দিতে।
ম্যাচের ৩০ মিনিটে নেইমারের কথা শুনেছিলেন ব্রুনো গিমারেস। ডি-বক্সের বাইরে থেকে ভিনিকে বলের জোগান দেন। বাঁ পাশ থেকে ডি-বক্সে ঢুকে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে গোল করেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। ভিনির এ গোলেই ব্রাজিলের ম্যাচে ফেরা এবং ওই ১-১ গোলের সমতায় ম্যাচ শেষ করে ১ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করে প্রথম ম্যাচ। কাতার বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচে প্রায় ৩০০ মিনিটের মতো মাঠে থেকে মাত্র এক গোল করেছিলেন। এবার প্রথম ম্যাচের ৩১ মিনিটেই রিয়াল তারকা পেয়েছেন গোলের দেখা। অবশ্য গোল নিয়ে তার অত চিন্তা নেই, সেটা আগেই বলেছিলেন। চোখ তার সোনালি ট্রফির দিকে। লেফট ব্যাক ডগলাস সান্তোসের কাছেও ভিনিসিয়ুসের বিকল্প নেই, ‘ভিনি আসলে জিনিয়াস। ওয়ান টু ওয়ান লড়াইয়ে যে কারও জন্য ওকে মার্ক করা কঠিন। খুব সহজেই সে প্রতিপক্ষকে বোকা বানায়। আজকেও (মরক্কো ম্যাচে) সে একই কাজ করেছে। গোলটি অসাধারণ ছিল।’
তবে এ গোলেও তিনি সন্তুষ্ট নন, ‘এর চেয়েও অনেক ভালো করতে পারি আমি। ঠিক আছে আমি গোল করেছি। কিন্তু মনে হচ্ছে, এটা আমার শতভাগ নয়। আক্রমণে আমাকে আরও উন্নতি করতে হবে।’ উন্নতির জন্য হাতে সময় খুব অল্প, ‘বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচই সহজ হবে না। পরের ম্যাচের আগে নিজেদের আরও নিখুঁত করতে বেশি সময় পাব না। এর মাঝেই যতটা সম্ভব নিজেদের আরও ধারালো করতে হবে।’


