আইনি নোটিসের পর একা হচ্ছেন ইনফান্তিনো

জিয়ান্নি ইনফান্তিনো
ফিফার পরের মেয়াদে সভাপতি নির্বাচিত হওয়াটা সময়ের অপেক্ষা ছিল জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর। বিশ্বকাপ বিক্রি করতে চাওয়া মুখ থুবড়ে পড়ায় এখন নির্বাচন পর্যন্ত টিকে থাকাই কঠিন তার জন্য। উয়েফা ইনফান্তিনোকে চিঠি দিয়ে সম্ভাব্য আইনি পদক্ষেপের কথা জানিয়ে রেখেছে। পাশাপাশি জানিয়ে রেখেছে কোনো নথি যেন ধ্বংস করা না হয়।
‘দ্য টেলিগ্রাফ’ হাতে পেয়েছে সেই চিঠি। সেখানে লেখা, ‘আপনি ও ফিফাকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে, যেন এই নোটিসে উল্লেখ করা সব নথি ও ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষিত তথ্য খুঁজে বের করে সংরক্ষণ করা হয়। কোনো নথি ধ্বংস, মুছে ফেলা, পরিবর্তন, গোপন বা হারিয়ে গেলে তা প্রমাণ নষ্ট করার শামিল হতে পারে।’
উয়েফা এমন বিদ্রোহী হয়ে ওঠায় ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে একের পর এক ফুটবল ফেডারেশন। তাদের অন্যতম রোমানিয়া, ওয়েলস, ইংল্যান্ড।
ইনফান্তিনোকে আবারও ফিফাপ্রধান হিসেবে দেখতে চান না জানিয়ে প্রথম চিঠি পাঠায় ওয়েলস আর রোমানিয়া ফুটবল ফেডারেশন। ওয়েলসের পাঠানো সেই চিঠির একটি কপি ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর হাতে এসেছে, যা পরে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। রোমানিয়ার সমর্থন প্রত্যাহারও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটির ফুটবল সভাপতি রাজভান বুরলানু একই সঙ্গে ফিফা কাউন্সিলেরও সদস্য। উয়েফার অন্য দেশগুলোও একই পথ অনুসরণ করতে পারে। কেননা গত সপ্তাহে উয়েফার ৫৫টি দেশই সর্বসম্মতিক্রমে ‘এফএফই’ প্রকল্পটি প্রত্যাখ্যান করেছিল।
মরক্কোর রাবাতে ১৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা নির্বাচনের সাত মাস আগে উয়েফার আস্থা হারালেন ইনফান্তিনো। তার বিকল্পও খুঁজছে উয়েফা। এখনো অবশ্য কাতার, সৌদি আরবসহ এশিয়ার অনেক দেশ আর আফ্রিকা, কনমেবল মহাদেশ পাশে রয়েছে ইনফান্তিনোর। ফিফার অনুদানের ওপর নির্ভর করা ভানতুয়ার মতো ছোট দেশগুলোর সমর্থনও হারাননি তিনি। তবে সমীকরণ বদলে যেতে কতক্ষণ!




