মেসির সতীর্থ হলেন কাসেমিরো, তদন্তের মুখে মায়ামি

ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি।
ইউরোপের পাট চুকিয়ে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা মিডফিল্ডার কাসেমিরো। ক্লাবটির সঙ্গে তার চুক্তি ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র ফুটবলের আইনি গ্যাঁড়াকলে পড়েছে মায়ামি। ‘খেলোয়াড় অধিকার’ লঙ্ঘন করে এই চুক্তি করার অভিযোগে ক্লাবটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে
বুধবার ইন্টার মায়ামির পক্ষ থেকে কাসেমিরোকে দলে ভেড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এক বছরের চুক্তি হলেও ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত সেটা বাড়ানোর শর্তও রাখা হয়েছে। ৩৪ বছর বয়সী কাসেমিরোর প্রতি সৌদি আরব এবং ইন্টার মিলান, জুভেন্তাসের মতো ক্লাবগুলোর আগ্রহ থাকলেও শেষ পর্যন্ত পরিবারসহ যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ইউরোপের চেয়ে ঢিলেঢালা সূচি উন্নত জীবনযাপনের কারণেই মায়ামিকে বেছে নেন এই রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক তারকা।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে খেলোয়াড় কেনার ক্ষেত্রে ‘ডিসকভারি রাইটস’ বা নামক একটি কড়া নিয়ম রয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দলগুলোর মধ্যে খেলোয়াড় কেনাবেচায় অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা রোধ করা। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ক্লাব খেলোয়াড় নেওয়ার আগে তাকে আবিস্কার করার একটি অধিকার অর্জন করে। আর কাসেমিরোর ক্ষেত্রে এই অধিকারটি আগে থেকেই ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস গ্যালাক্সির কাছে।
নিয়ম ভেঙে মায়ামি এই তারকাকে চুক্তিবদ্ধ করায় বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এমএলসি কর্তৃপক্ষ। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই এল গ্যালাক্সির সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে মায়ামি। ক্ষতিপূরণ বাবদ গ্যালাক্সিকে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হচ্ছে। জরিমানার অর্থ প্রদান করা হলেও তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার পরই কেবল চুক্তির সুনির্দিষ্ট শর্তগুলো প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, এমএলএসে অনিয়মের ঘটনা ইন্টার মায়ামির জন্য এটিই প্রথম নয়। এর আগে ২০২১ সালে ক্লাবের বেতনসীমা সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে ২ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার জরিমানা এবং ক্রীড়া পরিচালককে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সে সময় ফ্রেঞ্চ মিডফিল্ডার ব্লেইস মাতুইদির বেতন ফ্রেঞ্চ রিপোর্টিংয়ের মাধ্যমে গোপন করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছিল।






