Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
অন্ধকারে আলোর দ্যুতি আবুল হোসেন
সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ফুটবল

অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ জোনসের ক্ষোভ

'স্ত্রী-সন্তানদের খাবারের টাকাও পাঠাতে পারছি না'

ক্রীড়া ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৬:০০
'স্ত্রী-সন্তানদের খাবারের টাকাও পাঠাতে পারছি না'

সংগৃহীত ছবি

গত জুন মাসেই অনূর্ধ্ব-২০ দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। দুই মাসের মাথায় বড় এক অভিযোগ আনলেন জেরার্ড জোনস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার দাবি, এখনো বেতনের অপেক্ষার আছেন তিনি, পাঠাতে পারছেন না স্ত্রী-সন্তানদের খাবারের খরচও!

বর্তমানে যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে চলছে বাংলাদেশের যুব দলের আবাসিক ক্যাম্প। জোনসও দলের সঙ্গে সেখানেই আছেন।

আজ, ‎সোমবার সকালে ফেসবুক পোস্টে ব্রিটিশ এই কোচ জানান, দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর এখনও বেতনের অপেক্ষায় আছেন তিনি। এতে পরিবারের খরচ চালাতেই বিপাকে পড়েছেন তিনি,  ‘আমি এখনো বেতনের অপেক্ষায় আছি। আমার কাছে কোনো টাকা নেই, স্ত্রী-সন্তানদের খাবারের টাকাও পাঠাতে পারছি না। নিজের জীবন নিয়ে আমি খুব ভয় পাচ্ছি, চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।‘

এর আগে জোনস লিখেছিলেন, ‘খুব মন খারাপ ও বিষণ্ন লাগছে। আমার নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে সত্যি চিন্তিত। প্রতিনিয়ত ভুল বোঝাবুঝি আর অপ্রীতিকর ঘটনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, আজও এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হলাম।’

এক ভিডিও বার্তায়ও হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায় জোনসকে, ‘সত্যি বলতে, এটা খুবই হৃদয়বিদারক। প্রতিদিন একটা না একটা নতুন ধাক্কা আসছে,  আজকের দিনে সমস্যাগুলো যেন আরও বেশি। শুধু আমি একা নই, এই পরিস্থিতিতে আমরা তিনজনই খারাপ বোধ করছি। তবে আমি অন্য কারও হয়ে বলব না, কেবল নিজের কথাই বলছি। আমি ভেতরে-ভেতরে একদম শেষ হয়ে গেছি। আমি ভীষণভাবে ভেঙে পড়েছি। আমার মনে হচ্ছে আমি আমার পরিবারকে হতাশ করেছি, আমার স্ত্রী এবং সন্তানদের প্রচণ্ড হতাশ করেছি। আমি খুবই ভেঙে পড়েছি, সত্যিই খুব কষ্ট পাচ্ছি।’

পরে আরেকটি পোস্টে জোনস জানিয়েছেন, 'আজ এর আগে দেওয়া আমার পোস্টের পর একটি ছোট আপডেট দিতে চাই। এখন আমি ব্যাংকিং-সংক্রান্ত একটি সমস্যার মধ্যে আছি। আমি অর্থ পেয়েছি ঠিকই, তবে এর সঙ্গে আরও কিছু জটিলতা রয়েছে। এমন কিছু নতুন সমস্যাও সামনে এসেছে, যেগুলো সম্পর্কে আমাকে আগে জানানো হয়নি।

তিনি আরও জানান, ‘আমার ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য যেভাবে কিছু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও শেয়ার করা হয়েছে, তা নিয়েও আমার গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে। আমার স্ত্রী ও তিন সন্তান থেকে দূরে থাকাটাই এরই মধ্যে কঠিন। গতকাল ঢাকায় এবং আজও এমন কিছু পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, যেগুলো আমাকে অত্যন্ত অস্বস্তিকর ও অসহায় বোধ করিয়েছে। মানুষ গাড়ির কাছে এসে, গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে, গাড়ি ঘিরে ধরে টাকা চাইছে। এছাড়াও, ব্যক্তিগতভাবেও বহুবার মানুষ আমার কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছে। এর সঙ্গে চলমান অনিশ্চয়তা, একের পর এক নতুন সমস্যার মুখোমুখি হওয়া এবং এখানকার জীবনযাপনের পরিস্থিতি—সবকিছু মিলিয়ে বিষয়টি আমার জন্য বোঝার মতো হয়ে উঠেছে। এখানে আমি নিজেকে খুব একা এবং বিপন্ন মনে করছি। আমি ভয় পাচ্ছি, আতঙ্কিত বোধ করছি। আমি ভীষণভাবে বিপর্যস্ত, অসহায় এবং একা। আমি আশা করছি, সবকিছু দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে। কারণ আমি শুধু চাই, কোনো দুশ্চিন্তা ছাড়াই নিজের কাজটা করতে।'

‎‎‎বাফুফের একটি সূত্র জানিয়েছে, বেতনের টাকা নিজ দেশে পাঠানোর আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক ধাপগুলো পার করতে আজ দুপুরের দিকে যশোর থেকে ঢাকায় এসেছেন জেরার্ড।

তবে জোনসের বেতনের টাকা সময়মতোই তার অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। আজ দুপুরে ‎বাফুফে সাধারণ সম্পাদক দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তার সঙ্গে আমাদের চুক্তি অনুযায়ী, ১০ তারিখের মধ্যে বেতন দেওয়ার কথা। সে ভাবেই আমরা তার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি। এরপর কী হলো সেটা বলতে পারব না।’

 

 

বাফুফে
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise