আসিয়ান কাপেই খেলবে বাংলাদেশ

ফিফা আসিয়ান কাপে খেলা নিয়ে একটা প্রশ্ন ছিল শুরু থেকেই। প্রথমত, ফিফার অনুমোদনের একটা ব্যাপার ছিল। দ্বিতীয়ত, আরও দুটি বিকল্প নিয়েও ভাবছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। তবে সব জল্পনা-কল্পনা শেষে ইন্দোনেশিয়ায় প্রথমবারের মতো ফিফার অর্থায়নে হতে যাওয়া আসিয়ান কাপে ভারতের পরিবর্তে খেলবেন হামজা চৌধুরীরা। বিষয়টি নিয়ে বাফুফের নির্বাহী কমিটির চলমান সভায় আলোচনার পর হয়েছে সিদ্ধান্ত। সভা থেকেই একজন নির্বাহী সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আগামীর সময়কে।
আট দল নিয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় হবে আসিয়ান কাপ। আসিয়ান অঞ্চলের ছয় দলের সঙ্গে এই টুর্নামেন্টে খেলবে দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। যদিও শুরুতে এই দুই দেশ আমন্ত্রণ পায়নি এই টুর্নামেন্টে। পাকিস্তানের সুযোগ হয় চীন নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়ায়। আর শেষ মুহূর্তে ভারত সরে দাঁড়ালে বিকল্প হিসেবে আলোচনায় আসে বাংলাদেশ। গত সপ্তাহে বাফুফের একাধিক কর্মকর্তা আসিয়ান কাপে খেলার আমন্ত্রণ পাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে তারা পৌঁছায়নি আসছে ফিফা উইন্ডোতে আরও দুটি বিকল্প পরিকল্পনা থাকায়। জাতীয় দলের জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান কোচ থমাস ডুলির আগ্রহ ছিল ঘরের মাঠে এমন কিছু দলকে উড়িয়ে এনে খেলার, যাদের হারিয়ে সাফের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস কুড়িয়ে নেওয়া যায়। আবার মধ্য এশিয়ার দেশ কিরগিজস্তান থেকে আসা একটি আমন্ত্রণ পত্রও সিদ্ধান্তের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আসিয়ান কাপে খেলার লোভনীয় প্রস্তাবকেই জাতীয় দলের জন্য ভালো বিকল্প মনে করেছেন বাফুফে কর্তারা।
এই টুর্নামেন্টে চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া। গ্রুপ পর্বে সেরা হলে বাংলাদেশ খেলবে ফাইনালে। নইলে তারা সুযোগ পাবে স্থানীয় নির্ধারণী ম্যাচ খেলার।






