পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ লাখ ১৪ হাজার, ইংরেজি ও গণিতে বেশি

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড— সংগৃহীত
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবার পুনর্নিরীক্ষণের জন্য মোট ১ লাখ ১৪ হাজার ৭০৬টি আবেদন জমা পড়েছে। সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের জন্য। সব মিলিয়ে মোট পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের প্রায় ৩০ শতাংশই এসেছে এ দুই বিষয় থেকে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মোট ৩৯ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থী খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে। ইংরেজি ও গণিতে অকৃতকার্য হয়েছে ৬১ হাজার ৬৫৯ জন শিক্ষার্থী। যা মোট শিক্ষার্থীর ৪৭ শতাংশ। এ দুই বিষয়ে পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে ৩৪ হাজার ২২৮ জন, যা মোট অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীর প্রায় ৫৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এর মধ্যে ইংরেজিতে ২০ হাজার ৪০০টি এবং গণিতে ১৩ হাজার ৮২৮টি আবেদন পড়েছে।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র মিলিয়ে পরীক্ষা দিয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৩৬৬ জন। এর মধ্যে ফেল করেছে ৩৫ হাজার ৮৭৬ জন, যা ওই বিষয়ের পরীক্ষার্থীদের ২৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ ইংরেজিতে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রায় প্রতি চারজনের একজন অকৃতকার্য হয়েছে। পাস করেছে ৯৩ হাজার ৪৯০ জন।
গণিতে পরীক্ষা দিয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৩ হাজার ৪৫২ জন এবং ফেল করেছে ২৫ হাজার ৭৮৩ জন। এ বিষয়ে অকৃতকার্যের হার ১৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অর্থাৎ গণিতে প্রায় প্রতি পাঁচজন পরীক্ষার্থীর একজন অকৃতকার্য হয়েছে।
ইংরেজি ও গণিতের পাশাপাশি বাংলায় ৭ হাজার ৭৭১টি, পদার্থবিজ্ঞানে ৬ হাজার ৮২৩টি, জীববিজ্ঞানে ৪ হাজার ৫৫৯টি, রসায়নে ৪ হাজার ৫৩৫টি এবং উচ্চতর গণিতে ৪ হাজার ৪৪০টি পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন পড়েছে।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী বললেন, ‘উত্তরপত্র মূল্যায়ন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার উত্তরপত্র মূল্যায়নেও কোনো ভুল হয়েছে কিনা তাও দেখার সুযোগ থাকছে। এর জন্য পর্যাপ্ত পরীক্ষকও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’
১০ আগস্ট সারা দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন। পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৫২ হাজার ৭৬৬ জন।







