আর কত কম রান চাই বাংলাদেশের

সংগৃহীত ছবি
ওয়ানডেতে ১৪২ রানের লক্ষ্য কি কঠিন? আর কত কম রান হলে জেতা সম্ভব? বাংলাদেশ দলের ব্যাটাররা সেই উত্তর দিতে পারেন। তবে পেসার নাহিদ রানার কথায় মনে হচ্ছে ব্যাটারদের জন্য লক্ষ্যটা আরও কম হলে ভালো হতো।
জিম্বাবুয়ের সঙ্গে প্রথম ওয়ানডেতে সেরা পারফরমার হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন নাহিদ রানা। সেখানে এক প্রশ্নের জবাবে নবম উইকেটে জিম্বাবুয়ের ৬৩ রানের জুটি নিয়ে আক্ষেপ শোনা গেল তার কণ্ঠে, ‘ওরা শেষদিকে একটা পার্টনারশিপ করেছিল। মনে হচ্ছে আমি যদি ওই জুটিটা ভাঙ্গতে পারতাম তাহলে আজকের ম্যাচের ফলটা ভিন্ন বা আরও কিছু রান কম হতো। ওই জায়গাটাতে আমরা বোলাররা একটু লুজ বোলিং করেছি।’
এই ম্যাচেই ২১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে ওয়ানডেতে সেরা বোলিং ফিগার উপহার দিয়েছেন নাহিদ। তার গতিতে টেস্টের মতো বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যাটিং লড়াই দেখাতে ব্যর্থ স্বাগতিকরা। অথচ নাহিদের এই কীর্তি স্লান হলো বাংলাদেশ ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। মাত্র ১৪২ রানের লক্ষ্যটাও ছুঁতে পারেনি তারা।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ চলাকালীন মোস্তাফিজুর রহমানের একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের সঙ্গে ‘টিম টক’ এর সময় এই পেসারের প্রশ্নছিল ব্যাটার হিসেবে তাদের কেন রান করতে হবে? উপরের দিকে ভালো রান আসলে তাদের তো ক্রিজেই যেতে হচ্ছে না।
জিম্বাবুয়ের সঙ্গে টেস্টে বা ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাটারদের পারফরম্যান্স আশানুরূপ ছিল না। নাহিদও সংবাদ সম্মেলনে দলের প্রয়োজনে রান করার জন্য প্রস্তুতির কথা বলেছেন, ‘সবসময় ১১ জনেরই ব্যাটিং করার জন্য প্রিপারেশন রাখা উচিত। ওইভাবেই প্রস্তুতি রেখেছিলাম যে যে কোনো সময় দলের জন্য রান করতে হতে পারে।’
তাই মোস্তাফিজের প্রশ্ন ফিরছে আবারও। কেন বারবার ব্যাটিং অর্ডারের লেজের ভরসায় থাকতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। আর কত কম রান হলে ওয়ানডেতে নিরাপদে লক্ষ্য ছোঁয়া হবে বাংলাদেশ ব্যাটারদের।




