সিলেট টেস্ট
হৃদয়-তাইজুল জুটিতে লিড নামল ১০০-তে

৭ উইকেটে ১৮৪ রানে জুটি বেঁধেছিলেন দুজনে। এরপর কঠিন লড়াই টেনে নিয়ে থিতু হয়েছেন উইকেটে। তাওহীদ হৃদয় তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি আর তাইজুল নিজের টেস্ট মানসিকতা দেখিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন। দুজনের ব্যাটে বাংলাদেশের রান আড়াইশো ছাড়িয়েছে, প্রথম ইনিংসের লিড নেমে এসেছে একশ-তে।
প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি করা হৃদয় সাবলীল ইনিংস খেলছেন সিলেটে। ২২৭ বলে ১৩৯ রানে অপরাজিত তিনি। ৪টি ছক্কার পাশাপাশি আছে ১২ চার। এছাড়া তাইজুল ৩৬ বলে করেছেন ১৩ রান। বাংলাদেশ ৭ উইকেটে তুলেছে ২৫৬ রান।
দুজনের অষ্টম উইকেট জুটির শুরুতে উইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৩৫৬ রান থেকে ১৭২ রান দূরে ছিল বাংলাদেশ। তাদের ৬৭ রানের জুটিতে উইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের রান ছুঁতে আর ১০০ রান প্রয়োজন বাংলাদেশের।
হৃদয়ের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি
ব্যাটিং ব্যর্থতার ভীড়ে আশার আলো হয়ে দেখা দিলেন তাওহীদ হৃদয়। মুশফিকুর রহিমের পর কোনো পরীক্ষিত মিডলঅর্ডার ব্যাটারের সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি। একই সঙ্গে এটি হৃদয়ের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিও।
তার সেঞ্চুরির পরও অবশ্য বাংলাদেশের দুরবস্থা লেগেই আছে। সিলেট টেস্টে উইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে এখনও বাংলাদেশ পিছিয়ে ১৫১ রানে। বাংলাদেশ ৭ উইকেটে করেছে ২০৫ রান। হৃদয় ১৭১ বল খেলে অপরাজিত আছেন ১০০ রানে। অপরপ্রান্তে তাইজুল ইসলাম অপরাজিত ১ রানে।
মিরপুর টেস্টে হারের পর সিলেটে জয়ের প্রত্যাশায় আছে বাংলাদেশ। কিন্ত নিজেদের মাটিতেই ব্যাটিং ব্যর্থতায় টানা দ্বিতীয় টেস্ট কঠিন হয়ে উঠেছে। নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাসদের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটারদের ব্যর্থতা বাংলাদেশের ব্যাকফুটে পড়ার বড় কারণ।
উইন্ডিজের ৩৫৬ রানের প্রথম ইনিংসে দুটি একশ ছাড়ানো জুটি ছিল। বাংলাদেশের একটিও নেই এখনও পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি আশা ছিল হৃদয় ও মুশফিকের ওপর। আগের দিন অপরাজিত থাকা দুই ব্যাটার ৭৩ রানের বেশি এগোতে পারেননি। মুশফিক ফিরেছেন ৩৪ রানে। ৮ রান করা লিটনের সঙ্গে হৃদয়ের জুটি ছিল মাত্র ১৪ রানের। আর ১৬ রান করা মিরাজের সঙ্গে ছিল ৪১ রানের জুটি। এখন পর্যন্ত তৃতীয় দিন লাঞ্চ পর্যন্ত ২১ রানের জুটিতে তাইজুলকে নিয়ে লড়ছেন সেঞ্চুরিয়ান হৃদয়।



