দলের পারফরম্যান্স নিয়ে শান্ত
দলের সবাই ম্যান অব দ্য ম্যাচ

সংগৃহীত ছবি
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেছেন, ম্যাচসেরার পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য পুরো দলই। তবে জয়ের গুরুত্বপূর্ণ কারিগর পেস বোলিংয়ের জন্য বিশেষ প্রশংসা করেছেন হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেনের।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটিই বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়। টস হেরে প্রথমে বোলিং করে হাসান, তাসকিন ও এবাদতের পেস আক্রমণে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন হাসান মাহমুদ। এক ইনিংসে বাংলাদেশের পেসারদের ১০ উইকেট নেওয়ার ঘটনা এটি মাত্র দ্বিতীয়বার।
ম্যাচ শেষে পেসারদের প্রশংসা করেন শান্ত, ‘ম্যাচের প্রথম সেশনে হাসান, তাসকিন ও এবাদত যেভাবে বোলিং করেছে, সেটিই এই ম্যাচের গতিপথ ঠিক করে দিয়েছে। হাসান অসাধারণ ছিল। এখানে আসার আগে থেকেই সে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করেছে। কাউন্টি ক্রিকেটেও ভালো করেছে। গত কয়েক বছর ধরে আমাদের পেসাররা খুব ভালো বোলিং করছে।’
দলের দুই স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজেরও প্রশংসা করেছেন শান্ত,‘আমাদের দুজন মানসম্পন্ন স্পিনারও আছে—তাইজুল ও মিরাজ। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে মিরাজ যেভাবে কন্ডিশন কাজে লাগিয়েছে তা দারুণ। তাদের অভিজ্ঞতা আছে। তারা অনেক টেস্ট খেলেছে এবং নিজেদের ভূমিকা জানে। তাদের পারফর্ম করতে দেখে সত্যিই ভালো লাগছে।’
ম্যাচসেরার পুরস্কার নিয়ে শান্ত বলেন, ‘আমার মনে হয় বাংলাদেশ দলেরই ম্যাচসেরার ট্রফি পাওয়া উচিত। সবাই কোনো না কোনোভাবে অবদান রেখেছে। অবশ্যই মাত্র দ্বিতীয় টেস্টেই তামিমের প্রথম সেঞ্চুরি বিশেষ কিছু। মিরাজ এর আগেও এমন পারফরম্যান্স করেছে। ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই সে অসাধারণ ছিল।’
অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রস্তুতি ম্যাচে বাজে পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেছেন শান্ত, ‘আমরা ওই প্রস্তুতি ম্যাচে ভালো খেলিনি। তবে ক্রিকেট এমনই। আমরা সেটিকে প্রস্তুতি ম্যাচ হিসেবেই নিয়েছিলাম তাই ম্যাচটির পর খুব বেশি হতাশ হয়ে পড়িনি। আমরা নিজেদের ভুল নিয়ে কথা বলেছি। একই সঙ্গে ওই ম্যাচে সবাইকে ব্যাটিং ও বোলিংয়ের সুযোগও দিয়েছি। আমরা এটিকে যথাযথ প্রস্তুতি ম্যাচ হিসেবেই নিয়েছিলাম। তবে সেই ম্যাচের প্রভাব এই টেস্টে খুব একটা পড়েনি।’






