বিতর্ক
সূর্যবংশীর সঙ্গে প্রতিযোগিতা নিয়ে মুখ খুললেন স্যামসন

দলের তরুণ ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী এবং অভিষেক শর্মার সঙ্গে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে মুখ খুলেছেন ভারতের উইকেটকিপার-ব্যাটার সঞ্জু স্যামসন। আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাত্র ২২ বলে ৫৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ফর্মে ফেরার পর সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।
আফগানিস্তানের দেওয়া ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মার ৮৮ রানের ওপেনিং জুটি ভারতকে জয়ের পথে নিয়ে যায়। মাত্র ১৪.৫ ওভারেই জয় তুলে নেয় ভারত। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওপেনিংয়ের দুই পজিশনের লড়াই নিয়ে সঞ্জু বলেন, ‘আমি মনে করি তারা (বৈভব ও অভিষেক) বাইরের বিশ্বের কাছে আমার প্রতিযোগী, কিন্তু আমরা একটি দল এবং সবাই দেশের হয়ে খেলছি। আমরা প্রথমে ম্যাচ জিততে চাই, আর তারপর বাকি ব্যক্তিগত বিষয়গুলো আসে। “আমি সুযোগ পেলাম না, ওকে কেন দেওয়া হলো”- এ ধরনের নেতিবাচক মানসিকতা এখানে কাজ করে না।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনা এবং সাবেক ক্রিকেটারদের মন্তব্যের বিষয়ে সঞ্জু স্বীকার করেন যে, মাঝে মাঝে সেই কথাগুলো তার নজরে আসে। তিনি বলেন, ‘আমি ওয়াই-ফাই বন্ধ রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু কখনো কখনো ওয়াই-ফাই চালু হয়ে যায় এবং মন্তব্যগুলো চোখে পড়ে। কোনো কোনো সিনিয়র খেলোয়াড় কিছু একটা বলে বসেন। তবে আমি মনে করি এটি খুবই স্বাভাবিক।’
বাইরের সমালোচনা কীভাবে তার ওপর প্রভাব ফেলে, সে বিষয়ে খোলামেলা স্বীকারোক্তি দিয়ে সঞ্জু বলেন, ‘বাইরের আলোচনা-সমালোচনা ক্রিকেটারদের অবশ্যই প্রভাবিত করে। তবে আপনার মানসিকতা, আপনার প্রস্তুতি এবং আপনি কোন মানসিকতা নিয়ে খেলবেন—সে বিষয়ে আপনার ধারণা খুব পরিষ্কার থাকতে হবে। আমি মনে করি পরিস্থিতি সামলানোর মতো যথেষ্ট পরিপক্কতা এবং অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। আগে এটি কিছুটা কষ্ট দিত। কারণ, আমরা কোনো মেশিন বা রোবট নই। সামাজিক মাধ্যমের এই চাপ সামলানোর প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করে সঞ্জু বলেন, ‘আমি যদি ওই জিনিসগুলোতে মনোযোগ দিতাম, তবে আমি এভাবে ব্যাট করতে পারতাম না। কোনো শট খেলার আগে আমাকে দশবার ভাবতে হতো- আমি আউট হলেই তো আবার ওয়াই-ফাইয়ের সমস্যা শুরু হবে। তাই এর বদলে আমি নিজেকে বলি—"কোনো সমস্যা নেই।’
উল্লেখ্য, প্রথম দুই ম্যাচে বাইরে থাকার পর সিরিজের শেষ ম্যাচে বৈভব সূর্যবংশীর একাদশে ফেরার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন।





