দুই গোলে এগিয়েও শেষ মুহূর্তে জিতল রিয়াল

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোলটি করেন বদলি নামা কার্লোস এসপি।
স্প্যানিশ লা লিগায় রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে এলচেকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। প্রতিপক্ষের মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই গোলের লিড নিয়েও শঙ্কায় পড়েছিল হোসে মরিনহোর দল। শেষ মুহূর্তের নাটকীয় জয়ে পয়েন্ট তালিকায় বার্সেলোনার ঠিক পরেই অবস্থান করছে লস ব্লাঙ্কোসরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে রিয়াল। ২৫ মিনিটে আর্দা গুলারের নেওয়া দুর্দান্ত ফ্রি কিক এলচের গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরোর গায়ে লেগে আত্মঘাতী গোলে তারা এগিয়ে যায়। ৩৩ মিনিটে ইয়ান দিওমান্দের বাড়ানো বল থেকে খুব কাছ থেকে জালে জড়িয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। চলতি লিগে ৬ ম্যাচে এটি তার ৭ম গোল, যা তাকে লা লিগার গোলদাতাদের তালিকার শীর্ষে রেখেছে।
অবশ্য গোল করার পরপরই চোটের কারণে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছিলেন এমবাপ্পে। চিকিৎসকদের শুশ্রূষার পর তিনি মাঠে ফিরে আসেন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে এই ফরাসি ফরোয়ার্ডের আরও একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে সহজ জয়ের পথেই ছিল রিয়াল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। ৭১ মিনিটে দারুণ হেডে ব্যবধান কমান আবেল ওসোরিও এবং ৮৩ মিনিটে সমতা ফেরান ফের নিলো।
রিয়ালে যখন পয়েন্ট হারানোর শঙ্কা জেঁকে বসেছে, ঠিক তখনই নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন জুড বেলিংহাম ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। বদলি হিসেবে নামা বেলিংহাম মাঝমাঠের কাছে দারুণ এক ট্যাকল ও ড্রিবলিংয়ে প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে বল বাড়ান এমবাপ্পেকে। ফরাসি তারকা দ্রুত বক্সে বল বাড়িয়ে দিলে সেখান থেকে নিখুঁত শটে জয়সূচক গোলটি করেন বদলি নামা কার্লোস এসপি।
ম্যাচ শেষে রিয়াল কোচ হোসে মরিনহো বলেন, ‘আমরা সহজ পরিস্থিতিতে থেকেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলাম। তবে কঠিন মুহূর্তে পয়েন্ট হারানোর চাপ সামলে দল যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে এবং ম্যাচ জিতেছে, সেটাই শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় কথা। ভালো ব্যাপার হলো, রিয়াল মাদ্রিদের খেলা দেখলে কেউ কখনো বিরক্ত হয় না। ম্যাচগুলো সবসময়ই দারুণ বিনোদনদায়ী।’





