দ্য হান্ড্রেড
১৭ রানে ৫ উইকেট নিলেন রশিদ খান

দ্য হান্ড্রেডে দেখা গেল রশিদ খানের ঘূর্ণিজাদু। ব্যাটে-বলে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে এমআই লন্ডন। উইল জ্যাকস ও নিকোলাস পুরানের ঝোড়ো ফিফটির পর বল হাতে ভেল্কি দেখিয়েছেন এই তারকা লেগ স্পিনার। ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস শেষ পর্যন্ত ৪৫ রানে হেরে গেছে। এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল এমআই লন্ডন।
দ্য ওভালে রবিবার টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন ওপেনার উইল জ্যাকস। পাওয়ার প্লের সুবিধা নিয়ে মাত্র ১৮ বলেই ৩৪ রান তুলে নেন তিনি, যার মধ্যে ছিল চারটি ছক্কার মার। ২১ বলে ৬২ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন জ্যাকস। তিন নম্বরে নেমে মারমুখী মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করেন নিকোলাস পুরান।
স্যাম কারানকে সঙ্গে নিয়ে পুরান গড়েন ২৩ বলে ৪৪ রানের বিধ্বংসী জুটি। গাস অ্যাটকিনসকে পরপর দুই ছক্কা ও এক চার মেরে মাত্র ২৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত পুরানের ২৮ বলে ৫৪ এবং জ্যাকসের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৩ রানের পাহাড় দাঁড় করায় এমআই লন্ডন, যা চলতি আসরে তাদের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিলেন ম্যানচেস্টারের এইডেন মার্করামও। ১৭ বলে ৩৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে সুপার জায়ান্টসদের জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন তিনি। তবে এরপরই দৃশ্যপটে আবির্ভূত হন রশিদ খান। শুরুটা করেন মার্করামকে দিয়ে। এরপর একে একে তার শিকার হন জস বাটলার, হেনরিখ ক্লাসেন, টম মুর, লিয়াম ডসনের মতো ব্যাটাররা।
হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করলেও সফল হতে পারেননি রশিদ। তার পঞ্চম শিকার লিয়াম ডসন। পাঁচ উইকেট নিতে রশিদের খরচ হয়েছে মাত্র ১৭ রান। জাতীয় দলের দায়িত্ব পালনের জন্য দ্য হান্ড্রেডে রশিদের আপাতত খেলা হচ্ছে। এই ম্যাচ শেষেই তিনি জাতীয় দলে যোগ দেবেন। তবে এমআই লন্ডন ফাইনালে উঠলে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে আবারও তিনি দলে যোগ দিতে পারেন।





