কোকেন সেবন
ঘোষণার আগেই সাজা ভোগ শেষ অজি ক্রিকেটারের

ইংল্যান্ডের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে খেলার সময় ডোপ টেস্টে কোকেনের উপস্থিতি ধরা পড়ার পর এক মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মারকাটারি ব্যাটার ক্রিস লিন। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) ক্রিকেট রেগুলেটর জানিয়েছে, পুনর্বাসন কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় তার শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে এক মাসে নামিয়ে আনা হয়েছিল এবং তিনি সেই শাস্তি ইতোমধ্যে সম্পন্নও করেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত জুলাই মাসে। ১৮ জুলাই নর্দাম্পটশায়ারের হয়ে টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টের ফাইনালের দিনে রুটিন অনুযায়ী অ্যান্টি-ডোপিং টেস্টের জন্য তাঁর ইউরিন বা মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ফরাসি ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার পর তার নমুনায় বেঞ্জয়লেকগনিন নামের কোকেনের একটি উপজাত পাওয়া যায়। এরপর গত ৩১ জুলাই তাকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
তদন্তে ক্রিস লিন স্বীকার করেন যে, তিনি প্রতিযোগিতার বাইরে থাকাকালীন অর্থাৎ ১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী সময়ে ওই নিষিদ্ধ পদার্থ সেবন করেছিলেন। ইসিবির ক্রিকেট রেগুলেটরও তার এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করে নিশ্চিত করে যে, ড্রাগ গ্রহণের ওই সময়টি খেলার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। তাছাড়া পারফরম্যান্স বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তিনি ড্রাগ গ্রহণ করেননি। লিনের নমুনায় পাওয়া ড্রাগের পরিমাণও বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থার (ওয়াডা) ঘোষিত লেভেলের নিচে।
এসব কারণে লিনের বিরুদ্ধে আনীত প্রাথমিক দুটি চার্জের একটি প্রত্যাহারও করা হয়। প্রাথমিকভাবে লিনকে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা ভাবা হলেও তিনি একটি মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করায় সেই সাজা কমিয়ে এক মাসে নামিয়ে আনা হয়। গত ৩১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া তার এই নিষেধাজ্ঞা গত ৩০ আগস্ট সম্পন্ন হিসেবে গণ্য করা হয়। উল্লেখ্য, এই ঘটনার পর থেকেই পেশাদার ক্রিকেটের বাইরে রয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয়ান তারকা। নর্দাম্পটশায়ারের হয়ে ফাইনালে মাঠে নামার পর শ্রীলঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) গলে গ্ল্যাডিয়েটর্সের জার্সিতে কেবল একটি ম্যাচ খেলে চোটে পড়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন তিনি। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হলেও ক্রিকেটে তার পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাবর্তন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।





