মাধবপুর
গরু চুরির অভিযোগে চার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

ছবি: আগামীর সময়
হবিগঞ্জের মাধবপুরে গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে চার ব্যক্তির বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আসবাবপত্রে অগ্নিসংযোগ করেছেন গ্রামবাসী। এ সময় বাড়িগুলো থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধারের দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
গতকাল বুধবার দিনের বেলায় উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের পিয়াইম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কৃষ্ণপদ সরকারের একটি গরু চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য আবিদ মিয়াসহ গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অভিযুক্তদের বাড়িতে যান। একপর্যায়ে বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘরের আসবাবপত্র বাইরে এনে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পিয়াইম গ্রামের আব্দুল হাসিমের ছেলে উজ্জ্বল মিয়া (২৮), মৃত উসমান মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া (৩০), মৃত সক্কদর মিয়ার ছেলে সামছু মিয়া (২৬) এবং মৃত লাল মিয়ার ছেলে সাজু মিয়া (৩০) দীর্ঘদিন ধরে চুরি-ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। শুধু পিয়াইম গ্রাম নয়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রামেও তারা চুরি-ডাকাতি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।
এ ছাড়া চুরি-ডাকাতি করতে গিয়ে বিভিন্ন বাড়ির নারীদের ধর্ষণের অভিযোগও তুলেছেন গ্রামবাসী। তবে সামাজিক সম্মানহানির আশঙ্কায় ভুক্তভোগীরা প্রকাশ্যে অভিযোগ করেননি বলে দাবি তাদের।
পিয়াইম গ্রামের মুতি মিয়া ও জামাল মিয়া জানান, অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র, চাইনিজ কুড়াল, চাপাতিসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে চলাফেরা করেন এবং রাতে চুরি-ডাকাতিতে জড়িত থাকেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
ছাতিয়াইন পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আশিস দে আগামীর সময়কে বলেন, সাজু মিয়ার বিরুদ্ধে একটি এবং অন্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চুরি-ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। তবে অভিযুক্তদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও আসবাবপত্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত নন।




