হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ দলীয় ঐক্যের নিন্দা

ফাইল ছবি
হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলা এবং নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের পথ আটকে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।
আজ বুধবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদ ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে এনসিপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের গাড়িবহরে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। ওই হামলার প্রতিবাদে বুধবার হবিগঞ্জে এক কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপিসহ দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা।
পথে ১৪৪ ধারা জারি করে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ কর্তৃক আটকে দেওয়া গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের শামিল। আমরা এ ধরনের আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দায়ীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
হামিদুর রহমান আযাদ বলছিলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে জনগণ, রাজনৈতিক দল বাগস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। রাজনৈতিক বক্তব্যের কারণে কারো ওপর হামলার স্থান গণতন্ত্রে নেই। কারো বক্তব্য যদি আক্রমণাত্মক হয়, তবে এর জবাব রাজনৈতিকভাবে দিতে হবে। কিন্তু কথার জবাব সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেওয়া পূর্বের ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। হবিগঞ্জে বিএনপির যেসব নেতাকর্মী আইন হাতে তুলে নিয়ে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, অবিলম্বে সেসব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
তার ভাষ্য, সরকার বিরোধীদলের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাধাগ্রস্ত করতে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করে নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করেছে। দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ভবিষ্যতে বিরোধী দলের যেকোনো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত না করার আহ্বান জানান তিনি।






