Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
গরিবের ডাক্তার খুরশীদ আলম
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

ঝুঁকিতে ভবন শঙ্কায় শিশুজীবন

agamir somoy
প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫২
ঝুঁকিতে ভবন শঙ্কায় শিশুজীবন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

স্কুলে শিশুরা যায় নিজেকে গড়তে, স্বপ্ন দেখতে, বিশ্বটাকে পড়তে। কিন্তু সেই স্কুলই যদি হয়ে ওঠে আতঙ্কের জায়গা, তাহলে শিক্ষার পরিবেশের চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায় নিরাপত্তার প্রশ্ন। বাগেরহাটের রামপালে ১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ, আতঙ্কে ১ হাজার ৭৭০ শিশু— এ প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্য শুধু একটি অবকাঠামোগত দুর্বলতার খবরই নয়; এটি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দায়িত্বহীনতার একটি গুরুতর চিত্র।

এই ১৯টি বিদ্যালয়ে পড়ছে প্রায় ১ হাজার ৭৭০ শিক্ষার্থী। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৭৭০টি শিশু এমন ভবনে প্রবেশ করছে, যেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। তাদের সঙ্গে স্কুলে পাঠানো হচ্ছে হাজারো পরিবারের উদ্বেগ। প্রত্যেক মা-বাবা সন্তানকে বিদ্যালয়ের গেটে পৌঁছে দিয়ে নিশ্চিন্তে বাড়ি ফিরবেন— এটিই স্বাভাবিক প্রত্যাশা।

কিন্তু ভবন যদি ঝুঁকিপূর্ণ হয়, তাহলে সন্তান স্কুলে যাওয়ার পর অভিভাবকের মনে দুিশ্চন্তা ঘুরপাক খাওয়াই স্বাভাবিক। তার সন্তান নিরাপদে বাড়িতে ফিরবে তো?

বিদ্যালয়ের দেয়ালে ফাটল ধরলে, ছাদ দুর্বল হলে, পলেস্তারা খুলে পড়লে, ভবনের বিভিন্ন অংশ ব্যবহারের অনুপযোগী হলে— সেটি রাতারাতি ঘটে না। দীর্ঘদিনের অবহেলা, রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার না করার ফলেই সাধারণত একটি সরকারি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অর্থাৎ সমস্যা যখন এতদূর গড়িয়েছে, তখন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অজানা থাকার কথা নয়।

স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাজ কি শুধু শিক্ষার্থীর সংখ্যা, শিক্ষকদের তদারকি, পরীক্ষার ফলাফল কিংবা বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হিসাব রাখা? বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তাদের দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একইভাবে স্থানীয় প্রশাসন, শিক্ষা প্রকৌশল-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব হলো, সরকারি স্থাপনার নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা।

উদ্বেগের বিষয় হলো, দুর্ঘটনা ঘটার আগে আমরা সাধারণত সতর্ক হই না। ভবন ধসে পড়বে, কেউ আহত হবে বা প্রাণহানি ঘটবে, তারপর তদন্ত কমিটি হবে, পরিদর্শন হবে, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হবে— এই চেনা সংস্কৃতি থেকে আমরা কবে নিষ্কৃতি পাব, সেটি এক বড় প্রশ্ন।

মনে রাখা দরকার, একটা দুর্ঘটনার পর দায়ী ব্যক্তিকে খুঁজে বের করলেই হারানো জীবন ফিরিয়ে আনা যায় না। একটি শিশুর প্রাণের মূল্য কোনো ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে নিরূপণ করাও সম্ভব নয়। একজন অভিভাবক তার সন্তানকে স্কুলে পাঠান রাষ্ট্রের ওপর আস্থা রেখে। রাষ্ট্র সেই আস্থার জায়গাটি যদি নিরাপদ রাখতে না পারে, তাহলে শিক্ষার অধিকারও এক অর্থে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়ে।

রামপালের ১৯টি বিদ্যালয়ের ঘটনায় অভিভাবকদের উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠাকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই।  সারা দেশে এমন বিদ্যালয় নেই, তা হলফ করে বলা যায় না। েসসব ভগ্নপ্রায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। সন্তানকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠাতে অভিভাবকদের বাধ্য করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সেসব সংস্কার জরুরি।

বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণ করা হলে ওই সময়টুকু শিক্ষার্থীরা কোথায়, কোন পরিবেশে শিক্ষা গ্রহণ করবে, সে পরিকল্পনাও থাকতে হবে। তাদের পাঠক্রম কোনোভাবে যেন ব্যাহত
না হয়।

রামপালের ১৯টি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় সারা দেশের জন্য সতর্কবার্তা। এই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করা হলে ভবিষ্যতের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার দায় শুধু ভাগ্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।

ঝুঁকিশঙ্কাশিশুজীবনআতঙ্কপ্রাথমিক বিদ্যালয়সম্পাদকীয়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    নারীদের সঙ্গে ‘অবাধ বিচরণ’-চুরির অভিযোগে আম্মারকে অব্যাহতি দেয় শিবির

    নারীদের সঙ্গে ‘অবাধ বিচরণ’-চুরির অভিযোগে আম্মারকে অব্যাহতি দেয় শিবির

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটিকে ‘লালকার্ড দেখাচ্ছেন’ বিএনপির এমপিরা

    চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটিকে ‘লালকার্ড দেখাচ্ছেন’ বিএনপির এমপিরা

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

    শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

    ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই চট্টগ্রামের ১২ কারাগারে

    ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই চট্টগ্রামের ১২ কারাগারে

    অকালে ঝরে যাওয়া এক সুরেলা স্বপ্ন

    অকালে ঝরে যাওয়া এক সুরেলা স্বপ্ন

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব

    মধ্যরাতে ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা

    মধ্যরাতে ঈশ্বরদীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৭ ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা

    ফনিক্স ফান্ডে বিধি লঙ্ঘন

    ফনিক্স ফান্ডে বিধি লঙ্ঘন