Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
চা শ্রমিকদের ভরসা খাইরুন
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

সমন্বয়হীনতায় ডুবছেন চাকরিপ্রার্থী তরুণরা

agamir somoy
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৭:০৪
সমন্বয়হীনতায় ডুবছেন চাকরিপ্রার্থী তরুণরা

দেশে সার্বিক অনুকূল পরিবেশ থাকা সত্ত্বেও শিক্ষিত তরুণ সমাজের আশানুরূপ কর্মসংস্থান কেন হবে না, সেই প্রশ্নটা এখন জাতির সামনে উপস্থিত। প্রতি বছর দেশের শ্রমবাজারে প্রায় ২০ লাখ নতুন তরুণ-তরুণী চাকরির জন্য যুক্ত হলেও সে তুলনায় বাড়ছে না কর্মসংস্থান। এমন তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে রাজধানীতে এক সেমিনারে। সোমবার পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ আয়োজনে ব্যবসায়িক পরিবেশ বিষয়ে সেমিনারে এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সেমিনারে এমন পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা হয়েছে ব্যবসার পরিবেশ না থাকা এবং টেকসই বাণিজ্যনীতির অভাবকে। দেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে সাধারণত তারুণ্যের স্বপ্ন থাকে শিক্ষাজীবন শেষে তিনি পরিবার-সমাজ, দেশ-জাতির সেবায় হবেন অংশীজন; হবেন জাতির সম্পদ। ক্ষেত্রবিশেষে দেবেন নেতৃত্ব। যদি আশানুরূপ কর্মসংস্থান না হয়, জাতির সম্পদ না হয়ে কাঁধে বোঝা হয়ে যায়, তবে তা হবে সবার জন্য বেদনাদায়ক।

দেশের অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যা তরুণ। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থা এক অদ্ভুত বৈপরীত্যের মুখোমুখি— একদিকে লাখ লাখ শিক্ষিত তরুণ বেকারত্বের অভিশাপ বয়ে বেড়াচ্ছেন, অন্যদিকে দেশীয় করপোরেট ও শিল্প খাতগুলো দক্ষ কর্মীর অভাবে ভুগছে।

চাকরির বাজারের এই যে চাহিদা ও জোগানের অমিল, এর অন্যতম কারণ দক্ষতার অভাব। সহজ কথায়, দেশের শিল্প ও সেবা খাত একজন প্রার্থীর মধ্যে যে ধরনের যোগ্যতা বা দক্ষতা খুঁজছে, আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় উচ্চ ডিগ্রিধারীদের মধ্যে তা পাচ্ছে না। ফলে ডিগ্রি থাকার পরও তরুণরা চাকরি পাচ্ছেন না, আবার প্রতিষ্ঠানগুলোও শূন্যপদ পূরণের জন্য যোগ্য কর্মী পাচ্ছে না। চাকরির বাজারের এ বিশাল শূন্যতা রাতারাতি তৈরি হয়নি। এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যা। প্রধানত মান্ধাতা আমলের শিক্ষাক্রম।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোর কারিকুলাম সময়ের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। বিশ্ববাজার বা দেশীয় শিল্প খাত এখন ফোরথ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশন বা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, অথচ আমাদের পাঠ্যবইয়ে এখনো কয়েক দশক পুরনো তত্ত্ব পড়ানো হয়। ব্যবহারিক শিক্ষার চেয়ে মুখস্থবিদ্যার প্রতি যেন সবার আগ্রহ বেশি।

উন্নত বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কী পড়াবে, তা ঠিক হয় বাজারের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিল্প খাতের মধ্যে কোনো কার্যকর যোগাযোগ দেখা যায় না। শিল্পমালিক বা উদ্যোক্তারা কী চান, তা শিক্ষাবিদরা জানেন না; আবার শিক্ষাবিদরা যা তৈরি করছেন, তা শিল্পের কাজে লাগছে না। এ বিপরীতমুখী চিন্তা ও সমন্বয়হীনতার চোরাবালিতে পড়ছে আমাদের তরুণ শিক্ষার্থীদের বড় একটা অংশ।

বৃহৎ তরুণ সমাজের কোনো অংশকে বাইরে রেখে উন্নয়নের সোপানে পা রাখলে সেখানে সাফল্য আশা করা যায় না। পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের উন্নয়ন মডেলে কর্মসংস্থান উল্লেখযোগ্যভাবে নেই। যা আছে, সেগুলো আবার স্বল্পমূল্যের। বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একটি খাতকে নীতিগত সহায়তা দেওয়ার জন্য অন্য খাত বিকশিত হতে পারেনি। এখানেই রয়েছে বড় একটা ফাঁক। এখন সময় এসেছে ফাঁক পূরণের। পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে রাষ্ট্রের আর্থিক কাঠামোয় আমূল সংস্কার দরকার। অন্যথায় প্রবৃদ্ধি হয়তো বাড়বে, চাহিদা অনুযায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে না। সরকারিভাবে নীতি কাঠামোয় সংস্কার করা জরুরি প্রয়োজন।

শিক্ষিত তরুণকর্মসংস্থানশিক্ষাজীবনসম্পাদকীয়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

    ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    দিনলিপি

    দিনলিপি

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের