৭ অক্টোবরের হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া হামাস কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের

ছবি: রয়টার্স
৭ অক্টোবরের হামলায় ইসরায়েলের সু্ফা ফাঁড়িতে অনুপ্রবেশের নেতৃত্ব দেওয়া হামাসের এক কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। আইডিএফ শুক্রবার জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় হামাসের নুখবা কমান্ডার মুহাম্মাদ মাহমুদ মারশাদ আল-কাদি নিহত হয়েছেন।
আইডিএফ দাবি করেছে, আল-কাদি শুধু সু্ফা ফাঁড়িতে প্রাণঘাতী হামলার নেতৃত্বই দেননি, যুদ্ধজুড়ে রাফাহ এলাকায় হামাসের হাতে জিম্মি থাকা ব্যক্তিদের আটকে রাখার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এ ছাড়া হামাসের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, সংগঠনটির সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং নতুন সন্ত্রাসী হামলার প্রস্তুতিতেও তিনি দায়িত্ব পালন করতেন বলে দাবি আইডিএফের।
আইডিএফ দাবি করেছে, ইসরায়েলি সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের জন্য আল-কাদি যে তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করেছিলেন, তা দূর করতেই তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং হত্যা করা হয়। আইডিএফের ভাষায়, ‘সন্ত্রাসীকে তার সৃষ্ট হুমকি দূর করার জন্য হত্যা করা হয়েছে।’
এ ছাড়া সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে ১০ জনের বেশি পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সফল এই অভিযানের জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সেনাদের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, কয়েক ডজন অস্ত্র তৈরির লেদ মেশিন ধ্বংস করা হয়েছে, কয়েক ডজন অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নেতানিয়াহু বললেন, ‘জুডিয়া ও সামারিয়া, গাজা, লেবানন এবং আমাদের শত্রুরা যেখানেই ইসরায়েল রাষ্ট্রের জন্য হুমকি তৈরির চেষ্টা করছে, সেখানেই সন্ত্রাসবাদ ঠেকাতে আমাদের অভিযান পূর্ণ শক্তিতে অব্যাহত থাকবে।’
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত এবং ২৫০ জনের বেশি জিম্মি হন বলে ইসরায়েলি হিসাব। এর পরই গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল।
সূত্র: এনডিটিভি






