Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
জৌলুশ ছেড়ে গ্রামের স্কুলে নায়লা
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

গুম হওয়া ডাকঘরে চিঠি আর আসে না

পাভেল পার্থ
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০
গুম হওয়া ডাকঘরে চিঠি আর আসে না

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

নিওকলোনিয়াল ডিজিটাল বর্ডারের যুগে একটা হাতে লেখা ‘চিঠি’ বা ‘ডাকঘর’ কী ইমেজ তৈরি করে? যখন দুনিয়ার সব সুজনশীলতাকে চুরমার করে দশাসই করে তোলা হচ্ছে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ (এআই) বাণিজ্য। হয়তোবা আমরা মনেও করতে পারব না, কতদিন হাতে চিঠি লিখে কোনো ডাকবাক্স বা ডাকঘরে গিয়ে পোস্ট করা হয়নি। গলির মোড়ের লাল ডাকবাক্স বা হাট-বাজারে দাঁড়িয়ে থাকা ডাকঘরের আজ কী দশা কে জানে? এই ডাকব্যবস্থার সঙ্গে জেন-জি প্রজন্মের কোনো সাক্ষাৎ ঘটেনি। কিন্তু বিস্ময়করভাবে জুলাই অভ্যুত্থানের বহু গ্রাফিতিতে খোলা ডাকবাক্স মুক্তির ইমেজ হিসেবে আঁকা হয়েছিল। তার মানে চিঠি বা ডাকবাক্সের স্মৃতি কি এখনো আমাদের ধারে দরদি ঘোর তৈরি করে? ‘ডাকঘর’ থেকে সহস্র যোজন বিচ্ছিন্ন হলেও এখনো আমাদের ঠিকানা প্রদানের ক্ষেত্রে ‘ডাকঘর’ এক গুরুত্ববহ স্থান।

বিশ্বব্যাপী মানুষের জীবন, ব্যবসা ও সামাজিক উন্নয়নে ডাকসেবার ভূমিকা তুলে ধরা ও ডাককর্মীদের অবদানের সম্মান জানাতে প্রতি বছরের ৯ অক্টোবর পালিত হয় ‘বিশ্ব ডাক দিবস’। ১৮৭৪ সালের এই দিনে সুইজারল্যান্ডে ‘ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৬৯ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত ইউপিইউর কংগ্রেসে দিবসটি ঘোষিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য ‘এক ডাক নেটওয়ার্ক, অসীম সম্ভাবনা’। ইউপিইউ আন্তর্জাতিক ব্যুরো ডাক দিবসে আন্তর্জাতিক চিঠি লেখার প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। আহারে চিঠি! কী নিদারুণভাবে চিঠি-সংস্কৃতি থেকে আমরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে বিচ্ছিন্ন করেছি। অথচ এখনো আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষায় উত্তরের জন্য ‘বানোয়াট’ চিঠি লিখতে হয়। অনুশীলন বা প্রতিফলনের যার কোনো বাস্তব তৎপরতা নেই।

হাতে লেখা চিঠিকে ঘিরে বহু কালজয়ী সাহিত্যকর্মের জন্ম হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ছিন্নপত্র’ (১৯১২), রেইনার মারিয়া রিলকের ‘লেটার্স টু অ্যা ইয়াং পোয়েট’ (১৯২৯), জওহরলাল নেহরুর ‘লেটার্স ফ্রম অ্যা ফাদার টু হিস ডটার’ (১৯২৯), ফ্রানৎস কাফকার ‘লেটার্স টু মিলেনা’ (১৯৫২), কিংবা ভিনসেন্ট ভ্যান গঘের ‘দ্য লেটার্স অব ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ’ (১৯১৪) আমাদের সামনে চিঠির ভেতর দিয়ে নিযুত বলা না বলা গল্পকে হাজির করে।

‘হাতে লেখা চিঠি’ বনাম ইমেইল বা মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে চলতি আলাপ কোনো বাইনারি বিভাজন টানছে না। কিন্তু এক ঐতিহাসিক ডাকব্যবস্থা ক্রমেই গুম হওয়ার কারণে ক্রমাগত আমাদের বহুমুখী সামাজিক সংঘাত ও প্রাকৃতিক বিচ্ছিন্নতার বলয় জটিলতর হচ্ছে। ডাকব্যবস্থার প্রশ্নহীন ডিজিটালকরণ দেশের নানা প্রান্তের শ্রেণি ও বর্গের ডাকবিভাগে তাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও প্রবেশাধিকারের ধরনকে বদলে দিয়েছে। ডাকঘর শুধু চিঠির আদান-প্রদান করত না, কলেরা বা বসন্ত মহামারীর সময় ডাকঘরগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ম্যালেরিয়ার প্রতিবেষধক কুইনাইন মিলত স্থানীয় ডাকঘরগুলোতেই। একেকটি ডাকঘর হয়ে উঠেছিল স্থানীয় সমাজ কাঠামোর সঙ্গে বৈশ্বিক যোগাযোগের এক গুরুত্বপূর্ণ পরিসর। গ্রামীণ সমাজে ডাকঘর, ডাকপিয়ন, চিঠি, নথিপত্র, কাগজ-কালি, খাম-ডাকটিকিট বা সামগ্রিক ব্যবস্থার সঙ্গে মানুষের একটা পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। আজকের ডিজিটাল উপনিবেশের দুনিয়ায় সেসব সম্পর্ক উধাও, কারা এ যোগাযোগ ব্যবস্থা চালায়, কী দিয়ে কীভাবে তা চলছে, আমরা জানি না। সম্পর্কের ব্যাকরণ ভেঙে সবকিছু আজ নিওলিবারেল ব্যবস্থার প্রাণহীন পণ্য হয়ে উঠেছে। এ নিয়ে তর্ক চলতে পারে; কিন্তু এভাবে সাংস্কৃতিক এবং প্রাকৃতিক বিচ্ছিন্নতার যে বিষাক্ত বলয় বলীয়ান হচ্ছে, তা থেকে নিস্তার নেই। হাতে লেখা চিঠি ও ডাকঘর কম কার্বন নিঃসরণ করে এবং পরিবেশগত আঘাত কম সৃষ্টি করে। আজকের জলবায়ু বিপর্যস্ত সময়ে বহুল জাতীয় ও বৈশ্বিক অঙ্গীকারের ময়দানে দাঁড়িয়ে ডাকব্যবস্থার এমন বহুমুখী অবদানকেও সামনে আনা জরুরি।

একসময় ডাকঘর ছিল চিঠি, ডাকটিকিট, আঠা, সিলগালা, মোমের আগুন, ডাকবাক্স, খাম কিংবা ডাক-হরকরার স্থান। ডাকঘর এখন শুধু চিঠি বহনকারী প্রতিষ্ঠান নয়; বরং যোগাযোগ, পার্সেল, লজিস্টিকস, ই-কমার্স ও সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার এক জাতীয় অবকাঠামো

যোগাযোগ ও যোগাযোগমাধ্যম সভ্যতার এক আদি বুনিয়াদ। আর যোগাযোগের এক অনন্য আবিষ্কার ডাক। এই ডাক যোগাযোগ এক দিনে বা একভাবে গড়ে ওঠেনি। বিশ্বের নানাপ্রান্তে নানাভাবে নানা কারিগরি ও কলায় বৈশ্বিক ডাকসভ্যতা বিকশিত হয়েছে। পৃথিবীর প্রথম সমুদ্র ডাক (১৬৩৩) থেকে শুরু করে প্রথম ডাক সার্ভিস (১৭৭৪), প্রথম ডাকটিকিট (১৮৪০), প্রথম রেলওয়ে ডাক (১৮৩০), প্রথম মুদ্রিত খাম (১৮৩০), প্রথম পোস্টাল মানি অর্ডার (১৮৩৮); কিংবা প্রথম বিমান ডাকের (১৯১১) মাধ্যমেই বহুস্তরীয় ডাকব্যবস্থা বিকশিত হয়েছে।

রামায়ণে দেখা যায়, রামচন্দ্র লংকায় বন্দি স্ত্রী সীতার কাছে হনুমানের মাধ্যমে চিঠি পাঠান। প্রাচীন গ্রিসে এক বীরসৈনিক এথেন্স থেকে এপিওপেলিস পর্যন্ত একটানা দৌড়ে এসেছিলেন বিজয়ের বার্তা নিয়ে। প্রাচীন ঋষি কি বৌদ্ধ সাধকরা বাকল কি পাতায় লিখে কত বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন দুনিয়ার নানাপ্রান্তে। পারস্য সম্রাট সাইরাস খ্রিস্টপূর্ব ৫৫০ শতকে ডাক আদান-প্রদানের জন্য এক কুরিয়ার ঘর নির্মাণ করেছিলেন। পরে মুসলিম শাসকদের সময় ডাকব্যবস্থা নানাভাবে বিস্তার লাভ করে। খলিফা মুয়াবিয়া দাপ্তরিক ডাক যোগাযোগের জন্য ‘দেওয়ান-ই-বারিদ’ বা ডাক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে ৯৩০টি ডাকঘর ছিল। সুলতানি আমলে সুলতান মাহমুদের সময় ডাককাজ নির্বাহের জন্য একজন ‘সাহিব-ই-বারিদ’ বা পোস্টমাস্টার নিযুক্ত ছিলেন। চেঙ্গিস খানের সময় দ্রুতগামী ডাকব্যবস্থার প্রচলন হয়। আলাউদ্দিন খিলজি সাধারণ ডাক নিয়মিত বহনের জন্য ডাকঘোড়া ও ডাকরানার গঠন করেন।

১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজিত করে ডাকব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নেয় ব্রিটিশ উপনিবেশ। লর্ড ক্লাইভের সময় ‘জমিদারি ডাকব্যবস্থা’ তৈরি হয়। লর্ড কর্নওয়ালিসের সময় চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারি ডাক তৈরি হয়। কিন্তু ব্রিটিশ উপনিবেশে ডাকব্যবস্থায় গ্রামীণ নিম্নবর্গের প্রবেশাধিকার সীমিত ছিল। তাই ১৮৬৮ সালের আগে গ্রামীণ ডাকঘর তৈরি হয়নি। শুধু ডাকব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ, কর ও নতুন নিয়ম আরোপ নয়, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসন সর্বস্তরে চরম দুঃশাসন ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং যার বিরুদ্ধে নানাভাবে জনবিদ্রোহ গড়ে ওঠে।

দেশভাগের পর ব্রিটিশ আমলে প্রণীত ‘দি পোস্ট অফিস অ্যাক্ট ১৮৯৮’ অনুসরণ করেই পাকিস্তান ডাক প্রশাসনের কাজ শুরু হয়। ভাষা আন্দোলনের পর ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দে ডাকটিকিট ও অন্যান্য কাগজপত্র বাংলা হরফে মুদ্রিত হয়। ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রামে নতুন জেনারেল ডাকঘর স্থাপিত হয়।

মুক্তিযুদ্ধে ডাক বিভাগের প্রায় ২০০ জন শহীদ হয়েছেন এবং প্রায় ১২০টি ডাকঘর ধ্বংস হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই বাংলাদেশ তার প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশ করে। মুক্তিযুদ্ধকালে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই যশোর জেলার কাশিপুর মুক্তাঞ্চলে বাংলাদেশের প্রথম ডাকঘর স্থাপন করে। ১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর ডাক অধিদপ্তর গঠিত হয়। ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের ৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ‘ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন’-এর (ইউপিইউ) সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ পাস্টকোড প্রবর্তন করে। ২০১৯ সালে মোবাইল ফোনভিত্তিক ডিজিটাল আর্থিকসেবা ‘নগদ’ চালু হয়।

একসময় ডাকঘর ছিল চিঠি, ডাকটিকিট, আঠা, সিলগালা, মোমের আগুন, ডাকবাক্স, খাম কিংবা ডাক-হরকরার স্থান। ডাকঘর এখন শুধু চিঠি বহনকারী প্রতিষ্ঠান নয়; বরং যোগাযোগ, পার্সেল, লজিস্টিকস, ই-কমার্স ও সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার এক জাতীয় অবকাঠামো। ইউপিইউ ডাক পরিসংখ্যান (২০২৩) জানিয়েছে, দেশে ৯ হাজার ৯৭৪টি ডাকঘর আছে। তবে দেশে ডাক বিভাগের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা অনেক বেশি। ব্যক্তিগত চিঠি ডাকব্যবস্থা থেকে ক্রমাগত গুম হয়েছে। বরং বর্তমানে সরকারি নথিপত্র, এনজিও, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, আইনগত নোটিস, বিবাহ বা বিচ্ছেদ, টেলিফোন বিল, জাতীয় পরিচয়পত্র বিলি, পাসপোর্ট বিলি, ড্রাইভিং লাইসেন্স ডেলিভারি, জমির দলিল ও কাগজপত্র কিংবা বইপত্র ইত্যাদি বেশি বিলি হয়। চিঠি ও ডাকঘর আমাদের সমাজ এবং ইতিহাসের ধারাবাহিক রূপান্তরের এক বহুমুখী সম্পর্কের সাক্ষী। এসব সাক্ষী গুম হলে ডিজিটাল উপনিবেশের ‘সুপার ইন্টিলিজেন্স-এর’ ময়দানে কী নিয়ে দাঁড়াবে পৃথিবী?

 

লেখক: গবেষক ও  লেখক

 

চিঠিগুমডাকঘরএআইবিশ্ব ডাক দিবসকলাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন শাবিপ্রবির ১৮ শিক্ষার্থী

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ছাত্র অধিকারকর্মীকে নির্যাতনের পর অপহরণচেষ্টা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    রোগীর কেনা ওষুধ অপারেশন থিয়েটার থেকে যেভাবে ফেরে ফার্মেসিতে

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট

    ‘ডেলিভারির ব্যথা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যাবেন’ ফেসবুকে চিকিৎসকের পোস্ট

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    ব্যাগ হারিয়ে রেলস্টেশনে বসে কাঁদছিলেন জার্মান পর্যটক

    নিউ ইয়র্কে নিখোঁজ বাংলাদেশি খোকনকে নিয়ে তোলপাড়

    নিউ ইয়র্কে নিখোঁজ বাংলাদেশি খোকনকে নিয়ে তোলপাড়

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    সেই ‘বিহারি বগা’র কাছে শেষ পর্যন্ত চেয়ার হারালেন ওসি রহিম

    বন্ধক রাখা জমি তৃতীয় পক্ষকে দখল দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

    বন্ধক রাখা জমি তৃতীয় পক্ষকে দখল দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    বিনিয়োগ পরামর্শে আসছে লাইসেন্সধারী আর্থিক পরামর্শক: বিএসইসি কমিশনার

    পুলিশের সোর্স থেকে মাদক কারবারে, পিচ্চি রাজার উত্থান যেভাবে

    পুলিশের সোর্স থেকে মাদক কারবারে, পিচ্চি রাজার উত্থান যেভাবে

    রাজ্যপাট শেষ

    রাজ্যপাট শেষ