Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
বন্যপ্রাণী অবমুক্ত করেন অয়ন
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

পালাব কোথায়

সুমন্ত আসলাম
সুমন্ত আসলাম
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৬
পালাব কোথায়

শিক্ষাই জাতীর মেরুদণ্ড— গুণীজনরা বলে গেছেন সেই কবেই। আমাদের দেশে শিক্ষা নিয়ে গত কয় বছরে যা হয়েছে, তা গিনেস বুক রেকর্ডসে ঠাঁই পাওয়ার মতো।

স্যার গ্যারি সোবার্সের দু হাতে যে দুটো বাড়তি আঙুল ছিল, তা আমরা অনেকেই জানতাম না। বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যান সেই আঙুল দুটো নাকি নিজেই কেটে ফেলেছিলেন, ছুরি দিয়ে।

নিজের হাতের আঙুল নিজ হাতে কেটে ফেলা খুব সাহসের ব্যাপার— আমরা এটা জানতাম, জানি এখনো!

আমরা কি এটা জানতাম, ফায়ার সার্ভিসের মো. সাদিক মারা যাবেন পানিতে ডুবে! যিনি কি না সেরা ডুবুরি হিসেবে জীবন বাঁচানোর দক্ষতার জন্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়েছিলেন গত বছর।

দক্ষ একজন ডুবুরি মারা যাবেন পানিতে ডুবে, এটা মানা যায় না, বিশ্বাসও হয় না।

কিন্তু জন্মানোর পর একজন মানুষ মারা যাবেন, যেতে পারেন অনেকভাবেই— আমরা এটা জানতাম, জানি এখনো।

৭০ টাকার মরিচ ঢাকায় এসে ২০০ টাকা! এ রকম আরও হয়েছে, আগে; তারও আগে। কুড়িগ্রাম, রাজশাহী রংপুর, বগুড়া থেকে কম দামে আসা বেগুন, টমেটো, পেঁয়াজ, আলু, পটোলের দাম হয়ে যায় কয়েক গুণ। আমরা এটা জানতাম, জানি। আমরা তো এ-ও জানি— পুরো রাস্তার কয়েক জায়গায় বখরা দিতে হয় ক্ষমতাসীন গৃহপালিতদের, মেজাজ ঠান্ডা রাখতে হয় কাঁধে বন্দুক রাখা আমাদের ট্যাক্সের টাকায় বেঁচে থাকা পাহারাদারদের, তারপর ঢাকায় আরও কয়েকবার হাতবদল!

রূপকথার গল্পের মতো তারপর সব। ব্যাংক ব্যালেন্স বেড়ে যায় মধ্যস্বত্বভোগীর, পকেট শূন্য হয় সাধারণের। এভাবে চলছে, চলবে অনন্তকাল— আমরা এটা জানতাম, জানি এখনো।

শিক্ষাই জাতীর মেরুদণ্ড— গুণীজনরা বলে গেছেন সেই কবেই। আমাদের দেশে শিক্ষা নিয়ে গত কয় বছরে যা হয়েছে, তা গিনেস বুক রেকর্ডসে ঠাঁই পাওয়ার মতো। এত নিয়ম, এত নিয়ম বদল, ক্ষণে ক্ষণে সিদ্ধান্ত, সিদ্ধান্তের অপমৃত্যু, পৃথিবীর আর কোনো দেশ দেখেনি এমন। আমাদের দেশে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, নকলের মহোৎসব হয়, ভুল হয় প্রশ্নে, আরও কত কী! কাদের মাথায় এসব আসে, কারা এই শিক্ষাব্যবস্থা চালায়, তা রহস্যই রয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত!

তাই বলে একজন শিক্ষক দিয়ে একটি স্কুল চালানো! তা-ও চলে আসছে ছয় মাস ধরে! জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম নাংলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৃশ্য এটা। কারণ এখানে পাঠদানের জন্য কোনো শিক্ষক পাওয়া যায় না।

শুধু শিক্ষক নয়, একটা শিক্ষাব্যবস্থা চালানোর জন্য প্রকৃত মানুষ নেই আমাদের দেশে। শুধু আছে বাণী দেওয়ার মানুষ। ‘প্রাথমিক শিক্ষাকে সত্যিকার অর্থেই জাতীয় অগ্রাধিকার দিতে হবে।’ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী বলেছেন, ‘এ রকম সবাই বলে যাবেন, বলতে থাকবেন; কিন্তু একটা প্রকৃত শিক্ষাব্যবস্থা দাঁড়াবে না আমাদের দেশে, যেমনটা দাঁড়ায়নি গত ৫৫ বছরেও— এটা আমরা জানতাম, জানি এখনো।’

চমৎকার একটা তালিকা করতে পারি আমরা এ মুহূর্তে, এখনই— গত চার যুগে যেসব সরকারি কর্মকর্তা বিদেশে গিয়েছেন, কোন কোন কারণে গিয়েছেন? এ কারণের তালিকা দেখে প্রথমে একপ্রস্ত হাসি আসবে আমাদের। বিদেশ থেকে অভিজ্ঞতা(!) নিয়ে এসে একেকজন দেশের কী কী উদ্ধার করছেন, তা দেখে হাসি আসবে আরেকবার। ব্যাপারটা আমরা শুধু আম পাবলিকরা জানি, তা নয়; যারা বসে আছেন আমাদের মাথার ওপর, জানেন তারাও। নির্লজ্জতার এই নাটক মঞ্চস্থ করতে করতে এই কয়দিন আগেও বিদেশে যেতে চেয়েছেন ১৪০ কর্মকর্তা! কীসের জন্য জানেন? জনসংখ্যার রিপোর্ট লেখা শিখতে। খরচ হবে ৩ কোটি টাকা! হায়, মরণ। অর্থনৈতিক মন্দার এ জটিল সময়ে এসব কর্মকর্তার কী অবিবেচক, বিবেকহীন চাওয়া!

এ রকম কর্মকর্তা দেশে প্রচুর, সয়লাব এখানে-ওখানে। আরও প্রাণ ঠান্ডা করা হাসির কারণ দেখিয়ে বিদেশে যেতে চাইবে তারা মাঝেমধ্যেই— আমরা জানতাম, জানি এখনো।

লাও জুকে আমরা অনেকেই চিনি, চিনি না কেউ কেউ। চীনের এই দার্শনিক বলেছিলেন, ‘মানুষকে প্রতিনিয়ত সংযত করতে তার জিভকে, তার ভাষাকে। না হলে সমস্যা।’ আমাদের শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন সম্ভবত লাও জুর এ বাণীটা জানেন না। জানেন না আমাদের অধিকাংশ রাজনীতিবিদই। স্বল্পশিক্ষিত এদেশ শাসকরা আমাদের আনন্দ, একই সঙ্গে বেদনা দেওয়ার জন্যও মাঝেমধ্যে বাণী দেন। সেসব শুনে আমরা হাসি, বুকের ভেতর ব্যথা নিয়ে অস্ফুট স্বরে বলে ফেলি— মূর্খ!

ফার্মের মুরগির এই আলোচিত সময়ে বাজারে এরই মধ্যে প্রাণীটির দাম কেজিতে বেড়ে গেছে ১০ থেকে ২০ টাকা। দাম যে বাড়বে— এটা আমরা জানতাম, এখনো জানি। খলিউল্লাহ মরা মানুষের কলিজা খেতেন। এ বাক্যটার পর আমরা বলতে পারি— মানুষ কী খায় না? উত্তরে বলা যায়, মানুষ শুধু মানুষের কলিজা খায় না, মানুষের চোখ খায়, পা খায়, মাথা খায়, সম্মান খায়, অস্তিত্ব খায়, পুরো একেকটা জীবন খায়। যারা একটু ওপর শ্রেণির মানুষ, যাদের আমরা ভোট দিই, সিংহাসনে বসাই, তারা ব্যাংকের টাকা খায়, রাষ্ট্রের সম্পদ খায়, একটা সময় সম্পূর্ণ দেশটাকেই গিলে খায়।

চিকিৎসকের ভাষায় খলিউল্লাহ কোনো অপরাধী ছিলেন না, জটিল মানসিক রোগী ছিলেন। কিন্তু সুস্থ হয়ে ফিরে আসার পর সমাজ তথা মানুষ তাকে সুস্থ মানুষ হিসেবে গ্রহণ করেনি। মানুষের লাঞ্ছনা, বঞ্চনা আর প্রতিনিয়ত অপমান সইতে না পেরে শেষে বেছে নেন আজিমপুর কবরস্থান। লাশ চুরি করতে নয়, জীবিত মানুষ থেকে দূরে থাকতে, প্রাণহীন মানুষের মাঝে নীরবতার শান্তি খুঁজতে।

খলিউল্লাহ, আপনি শান্তি খুঁজতে কবরস্থানকে বেছে নিয়েছিলেন, আমরা কোন জায়গটা বেছে নেব? কারণ আমাদের তো মাথা নেই, চোখ নেই, পথ চেনা নেই। সোবার্সের আঙুল কাটার মতো আমরা কতভাবেই না আমাদের মাথা কেটে ফেলেছি; বহু আগে, বহুভাবে।

সারা দেশ এখন মাথাবিহীন মানুষে ভরা। শুধু শরীর বয়ে চলা এ জীবন। আমাদের আর মানুষ বলে না কেউ— এটা আমরা জানতাম, জানি এখনো।

গ্যারি সোবার্সকুড়িগ্রামরাজশাহীরংপুরদামমরিচবেগুনমধ্যস্বত্বভোগীশিক্ষাশিক্ষক
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    আসিফ নজরুলের দুইটা ছাগলই খাওয়া উচিত ছিল : পাটওয়ারী

    আসিফ নজরুলের দুইটা ছাগলই খাওয়া উচিত ছিল : পাটওয়ারী

    আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ

    আসিফের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ

    চাকরির পরীক্ষা নিয়েও দুই বছরে ফলাফল নেই ৬১০ পদের

    চাকরির পরীক্ষা নিয়েও দুই বছরে ফলাফল নেই ৬১০ পদের

    চট্টগ্রামে বসছে পানির আরও ৯৪ এটিএম বুথ

    চট্টগ্রামে বসছে পানির আরও ৯৪ এটিএম বুথ

    লিফট রেখে সিঁড়ি বেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী

    লিফট রেখে সিঁড়ি বেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী

    শিক্ষা ছুটি শেষে কর্মস্থলে না ফেরায় শেকৃবির ৬ শিক্ষক বরখাস্ত

    শিক্ষা ছুটি শেষে কর্মস্থলে না ফেরায় শেকৃবির ৬ শিক্ষক বরখাস্ত

    জেলনস্কিকে রুশ জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে বললেন ট্রাম্প

    জেলনস্কিকে রুশ জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধ করতে বললেন ট্রাম্প

    প্রেম-রোমান্স নির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে রিট

    প্রেম-রোমান্স নির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে রিট

    রিট আবেদন খারিজ, খুলল না আওয়ামী লীগের ফেরার পথ

    রিট আবেদন খারিজ, খুলল না আওয়ামী লীগের ফেরার পথ

    ‘সরকার উৎখাতের গোপন বৈঠক’, যুবলীগের ৮ নেতা রিমান্ডে

    ‘সরকার উৎখাতের গোপন বৈঠক’, যুবলীগের ৮ নেতা রিমান্ডে

    শুরুতে রাজস্ব আদায়ে ধাক্কা

    শুরুতে রাজস্ব আদায়ে ধাক্কা

    জিয়াউর রহমানকে গুলি করেন মতিউর, এর আগে হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রামে যান এরশাদ

    জিয়াউর রহমানকে গুলি করেন মতিউর, এর আগে হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রামে যান এরশাদ

    সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের আদেশ স্থগিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি

    সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের আদেশ স্থগিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠি

    বিশ্ববাজারে ফের জ্বালানি তেল সংকটের শঙ্কা

    বিশ্ববাজারে ফের জ্বালানি তেল সংকটের শঙ্কা

    ইরান বারুদে পুড়ছে দুই বন্ধুর কপাল!

    ইরান বারুদে পুড়ছে দুই বন্ধুর কপাল!