‘সরকার উৎখাতের গোপন বৈঠক’, যুবলীগের ৮ নেতা রিমান্ডে

সংগৃহীত ছবি
‘সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার গোপন বৈঠক’ থেকে গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের আট নেতার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
আসামিরা হলেন- মো. মাজহারুল ইসলাম ওরফে রায়হান, মো. রাকিব, মো. তানভীর খান, মো. আবদুর রহমান, মো. সিফাত, মো. মাহফুজুর রহমান, মো. আশিক মিয়া এবং মো. বকুল আহমেদ ওরফে রাজু।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক রফিকুল ইসলাম প্রত্যেকের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ রিমান্ডের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষে আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে প্রার্থনা করেন। শুনানিতে তারা জানান, আট আসামির কেউ কোন সংগঠনের সদস্য বা সমর্থক নয়। তাদের নামের পাশে কোন পদপদবি নেই। তারা রিকশার গ্যারেজে ক্যারামবোর্ডে খেলা করছিল। এই অবস্থায় তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের কোন যৌক্তিকতা নেই। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই, পদপদবি নেই। এই বিবেচনায় তাদের রিমান্ড বাতিলের প্রার্থনা করছি। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, শনিবার রাতে উত্তরখান থানাধীন পুরানপাড়ার একটি অটো গ্যারেজের ভেতরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কতিপয় সদস্য সমবেত হয়ে সরকার ও জনসাধারণের শান্তি বিনষ্টসহ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে উত্তরখান থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে আট আসামিকে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, তারা পরস্পর যোগসাজশে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থানে প্রতিষ্ঠিত বৈধ সরকারকে উৎখাত ও জনসাধারণের শান্তি বিনষ্টসহ সরকারি সম্পদ ক্ষতি করার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছিল। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অজ্ঞাতনামা আরও ২৫-৩০ জন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় উত্তরখান থানার উপপরিদর্শক জাহিদ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।



