ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর
সাগর-রুনি হত্যায় মিলেছে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততা

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডে এক ‘সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের’ সংযোগ পাওয়ার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। গতকাল রবিবার নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নে তিনি এসব কথা বললেন। তবে তিনি ওই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম প্রকাশ করেননি।
বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে হওয়া একটি মামলার তদন্তে নেমে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড নিয়ে তথ্য পাওয়ার কথা এর আগে আগামীর সময়কে জানিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও বিশেষ তদন্তকারী কর্মকর্তা তানভীর হাসান জোহা। তিনি বলেছেন, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আগে থেকেই র্যাবের গোয়েন্দা শাখা জানত। এক গোয়েন্দা কর্মকর্তার বরাতে জোহা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে ওই কর্মকর্তাকে বলা হয়েছিল, ‘একটা কিছু ঘটতে যাচ্ছে।’ তবে কী ঘটতে যাচ্ছে, তা তাকে নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। পরদিন সকালে তিনি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের খবর জানতে পারেন। প্রকাশিত এ খবর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য জানতে চান গণমাধ্যমকর্মীরা।
তখন আমিনুল ইসলাম বললেন, ‘সাগর-রুনির ইনভেস্টিগেশনটা আমাদের (ট্রাইব্যুনালের) ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (তদন্ত সংস্থা) করছে না। এটি করছে পিবিআই।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেছেন, ‘আমরা একটি ইনভেস্টিগেশন করতে গিয়ে অনেক সময় অন্য কোনো ঘটনার ক্লু পেয়ে যাই। এখন যেমন আমরা সাগর-রুনির তদন্তের ব্যাপারে ক্লু পেয়েছি। আমরা নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারছি না। তবে এটুকু বলতে পারছি, একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে সাগর-রুনির ঘটনার (হত্যাকাণ্ড) একটা কানেকশন পাওয়া গেছে।’







