প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবার উত্তর দিলেন, ‘আমি বাংলাদেশি’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: ভিডিও থেকে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আলোচনায় হুমায়ুন কবির। অভিযোগ উঠেছে, তার বিদেশি নাগরিকত্ব রয়েছে। সেই প্রশ্ন একবার এড়িয়ে গিয়ে তিনি পড়েছিলেন সমালোচনায়। একই প্রশ্নে এবার তিনি বললেন, তিনি বাংলাদেশি।
আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এলে সাংবাদিকদের মধ্য থেকে দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় হুমায়ুন কবিরকে। জবাবে তিনি শুধু বলেন, ‘আমি বাংলাদেশি।’
বাংলাদেশের কেউ বিদেশি নাগরিকত্ব নিতে পারলেও সংবিধান অনুসারে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত কারও দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখার সুযোগ নেই।
দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী হুমায়ুন কবির গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেও তার দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি, কারণ উপদেষ্টা হতে কোনো বাধা ছিল না।
‘বাঁচার আগে মরার চিন্তা করা তো সমস্যা’-মক্কা চুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
৩০ আগস্ট ২০২৬
কিন্তু এ মাসে তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর অভিযোগ আসে, তার যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব রয়েছে। ফলে তাকে নিয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধান লঙ্ঘন হয়েছে।
গত ২৪ আগস্ট হুমায়ুন কবিরের কাছে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে তিনি সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান। তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়েননি বলে নেটিজেনরা কথা তুলেছেন, একথা বলার পর তিনি বলেছিলেন, ‘আপনি বলেন নেটিজেন! তো মানে কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা যে মানে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার?’
তার এমন ‘আক্রমণাত্মক’ প্রতিক্রিয়ার নিন্দা জানায় বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশও এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলে, নাগরিকত্ব প্রশ্নে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেওয়া উচিত ছিল প্রতিমন্ত্রীর।
এ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে পরে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, হুমায়ুন কবির সংবিধান মেনেই প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এক্ষেত্রে আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়নি।









