স্বাস্থ্য টিপস
গর্ভাবস্থা সম্পর্কিত কিছু ভুল ধারণা
ডা. ফারহানা মোবিন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
গর্ভাবস্থায় নিজের ও অনাগত সন্তানের জন্য অনেকেই বিভিন্ন পরামর্শ দেন। কিছু বিষয় উপকারী হলেও কিছু কথার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। যেমন—
- গর্ভাবস্থায় আয়রন, ক্যালসিয়াম ওষুধ খেলে গর্ভের শিশুর ওজন বাড়ে, নরমাল ডেলিভারি হয় না। এই ধারণা ভুল। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়া বা বাদ দেওয়া অনুচিত
- মাতৃত্বজনিত ডায়াবেটিস ডেলিভারির পরও অনেকের থেকে যায়। তাই গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে খাবার ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। তবে পুষ্টির ঘাটতি যেন না হয়
- রোজা রাখলে গর্ভের শিশু দুর্বল হয়— এই ধারণা সব নারীর জন্য এক নয়। অতিরিক্ত বমি, গর্ভাবস্থায় ইনসুলিন ইনজেকশন, অতিরিক্ত মাথা ঘোরানো, গর্ভের শিশুর ওজন কম, ডায়রিয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া এ ধরনের নারীদের দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ
- অতিরিক্ত মানসিক চাপ, রাত জাগা, তৈলাক্ত খাবার, পান-সুপারি ও মাদক বর্জনীয়
- গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি পেলে গর্ভের শিশুও মোটা হবে। এই ধারণা সব নারীর জন্য এক নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে গর্ভের শিশুর ওজন বাড়ে
- বলা হয়, আনারস, কামরাঙা, তেঁতুল, কাঁচা পেঁপে খেলে গর্ভপাত হয়। এমন বিতর্কিত বিষয় বাদ দিয়ে অন্য ফল খান। এতে অন্তঃসত্ত্বা নারী দুশ্চিন্তামুক্ত থাকবেন
- অনেকের ধারণা, জাফরান, কিশমিশ খেলে গর্ভের শিশু অনেক ফর্সা হবে। কথাটি পুরোপুরি ঠিক নয়। এ সময় সব ধরনের মৌসুমি টাটকা শাকসবজি, ফল খেতে হবে। তবে অতিরিক্ত ওজন ও মাতৃত্বজনিত ডায়াবেটিসে মিষ্টি খাবারের পরিমাণ কমাতে হবে।
লেখক : স্ত্রী ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ, পালস পয়েন্ট হেলথকেয়ার লিমিটেড, ঢাকা।







