শেষ পর্যন্ত নেপালের সেই পরিবারটির ভাগ্যে কী ঘটেছিল?

হঠাৎ তীব্র গতিতে ধেয়ে আসে কাদামিশ্রিত পানির স্রোত। মুহূর্তেই বাড়িঘর, গাড়ি ও স্থাপনা ভেসে যেতে থাকে। এর মধ্যেও হালকা সবুজ রঙের একটি বাড়ি শুধু দেখা যাচ্ছে। বাড়িটির বারান্দায় আতঙ্কিত অবস্থায় কয়েকজনকে দেখা যায়। ছাদে থাকা এক নারী লাল কাপড় নেড়ে সাহায্যের সংকেত দিচ্ছেন।
আশপাশে সবকিছুই ভেসে যাচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে বাড়িটি ভেসে যেতে পারে। আর বাড়ি ভেসে গেলে বারান্দার সব মানুষ ভেসে যাবেন। সামাজিক মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
আশপাশে আছড়ে পড়ছে বড় বড় ঢেউসম্বলিত স্রোত। এই স্রোতে কোনোভাবেই বাড়িটি টিকবে না। কিন্তু যাওয়ার বা সেখান থেকে বের হওয়ার পথও নেই। কেননা বাড়ির সামনে স্রোত, বাড়ির পেছনে ঢেউ। বাড়ির নিচের অংশের অনেকটা স্রোতে ভেঙে গেছে। শেষ পর্যন্ত কি বাড়িটি টিকেছিল? কিংবা ওই মানুষগুলোর শেষ পরিণতি কী হয়েছিল?
এই থ্রিলার ঘটনার শেষ অংশটা জানতে আগ্রহীদের বলা হচ্ছে, তারা বেঁচে গিয়েছিলেন। বিবিসি ভেরিফাই জানিয়েছে, ভিডিওটি নেপালের ত্রিশুলি নদীর আশপাশের এলাকার। পরে স্রোত কিছুটা কমলে উদ্ধারকারীরা সেখানে পৌঁছে অন্তত একজন পুরুষ, একজন নারী ও একটি শিশুকে উদ্ধার করেন।
এদিকে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে প্রায় হাজারের কাছাকাছি মানুষ মারা গেছে। উদ্ধার অভিযানে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার কর্মী ও ৪০টি হেলিকপ্টার কাজ করছে। দুর্গত এলাকায় পৌঁছানো এবং কাদায় ডুবে যাওয়া স্থানে জীবিতদের সন্ধান করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিব্বতে বন্যায় ৭ জনের মৃত্যু ও ৫৫৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যার অন্যতম কারণ হিসেবে হিমবাহ ধসের কথা বলা হয়েছে।








