Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রুবেলের উদ্যোগে ১৩০০ মানুষের কর্মসংস্থান
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় আদালত

ছাড় দিতে চায় না কেউ, বিকল্প হতে পারছে না বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আইন

  • তদারকির জন্য কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব
  • আইনজীবীদের প্রতি পক্ষগুলোর আস্থার ঘাটতি
গোলাম রব্বানী
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯
ছাড় দিতে চায় না কেউ, বিকল্প হতে পারছে না বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আইন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ ও মামলাজট কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা অল্টারনেটিভ ডিসপিউট রেজল্যুশন (এডিআর) ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে আইনি কাঠামো। কিন্তু দ্রুত ও কম খরচের এ পদ্ধতিতে পক্ষগণের আগ্রহ কম। ফলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসেনি এখনো।

আইনজ্ঞরা বলছেন, এডিআর পদ্ধতিতে বিরোধ মীমাংসার জন্য উভয়পক্ষেরই কিছুটা ছাড় দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এ ধরনের মানসিকতা তুলনামূলক কম। ফলে আদালত ও লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে এডিআর ব্যবস্থার প্রয়োগ বাড়লেও সামগ্রিকভাবে মামলাজট কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারছে না এখনো।

এর পাশাপাশি, এডিআর বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর অভাব, প্রশিক্ষিত মধ্যস্থতাকারীর স্বল্পতা এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আইনজীবীদের প্রতি পক্ষগুলোর আস্থার ঘাটতিও এ পদ্ধতি সফল না হওয়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের অধস্তন আদালতে ২০২০ সালে এডিআর পদ্ধতিতে দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৪৯২টি। ২০২১ সালে এ পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি হয় ৪ হাজার ১৭০টি, ২০২২ সালে ৫ হাজার ৭৫৩টি এবং ২০২৩ সালে ৫ হাজার ১৫৮টি।

ওই বছরগুলোতে নিষ্পত্তি হওয়া মোট দেওয়ানি মামলার তুলনায় এডিআর পদ্ধতিতে নিষ্পত্তির হার মাত্র ১ দশমিক ৯ শতাংশ।

তবে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে এডিআর পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তির হার তুলনামূলক বেশি। সারা দেশে লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে ২০২০ সালে ১২ হাজার ৬৩৩টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়। ২০২১ সালে নিষ্পত্তি হয় ১৪ হাজার ৩২৪টি, ২০২২ সালে ২৩ হাজার ৫৩৬টি এবং ২০২৩ সালে ২৯ হাজার ৮১৩টি মামলা।

এর বিপরীতে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ লাখ ৪২ হাজার ৭৩১টি। এর মধ্যে আপিল বিভাগে ৪১ হাজার ৫৫১টি, হাইকোর্ট বিভাগে ৬ লাখ ৫৯ হাজার ২৫৬ এবং অধস্তন আদালতগুলোতে ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি মামলা বিচারাধীন।

এ ছাড়া গত ১৫ বছরে দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়ে প্রায় সাড়ে তিন গুণ হয়েছে। বিপুলসংখ্যক বিচারাধীন মামলার বিপরীতে এডিআরের মাধ্যমে নিষ্পত্তির হার বিবেচনায় নিলে এ পদ্ধতির সীমিত ব্যবহার স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

‘ছাড় দেওয়ার মানসিকতা কম’: সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ আগামীর সময়কে বললেন, ‘এডিআর পদ্ধতিতে বিরোধের মীমাংসা করতে হলে ছাড় দিতে হবে দুই পক্ষকেই। কিন্তু আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে ছাড়ের মানসিকতা কম। আগে দেখা যেত, নিম্ন আদালতের রায়ের পর পক্ষগণ হাইকোর্টে আপিল করতেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাইকোর্টের রায় মেনে নিতেন পক্ষগণ। কিন্তু এখন প্রায় ৯০ শতাংশ মামলায় আপিল বিভাগে আপিল করা হয়। অর্থাৎ ছাড়ের মানসিকতা দেখা যাচ্ছে না।’

তিনি বললেন, ‘বর্তমানে অনেক আইনে সরাসরি বলা আছে যে মামলা এডিআরে পাঠাতে হবে। সংশ্লিষ্ট আদালতগুলোও এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছেন। তারপরও বিরোধ এডিআর পদ্ধতিতে মীমাংসা হচ্ছে না। অথচ গ্রাম্য সালিশ আমাদের সমাজের একটি প্রচলিত রেওয়াজ। গ্রামের মানুষ সেই সালিশের বিচার মেনে নিতেন। কিন্তু আদালতে যেসব মামলা আসছে, সেসব ক্ষেত্রে সালিশ বা মধ্যস্থতা মেনে নিতে পারছে না পক্ষগুলো।’

আইনজীবীদেরও ভূমিকা আছে: সিনিয়র আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া আগামীর সময়কে বললেন, এডিআর পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তির হার কম হওয়ার পেছনে শুধু পক্ষগণই নয়, আইনজীবীদেরও অনেকাংশে দায় রয়েছে। অনেক আইনজীবী চান না যে, তাদের মক্কেলের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি হোক। কারণ, মামলা দ্রুত শেষ হলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর কাছে মক্কেলের সংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তিনি বললেন, আইনজীবীদের এ ধরনের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এডিআর ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে হবে।

তিনি আরও বললেন, দেশে যারা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছেন এবং এডিআর পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তির সঙ্গে যুক্ত আইনজীবী রয়েছেন, তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের বিষয়ে তাদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এ ছাড়া এডিআর ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করতে এ বিষয়ে নিয়মিত গবেষণা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

দুই দশকে অনেক আইন: মামলার দীর্ঘসূত্রতা হ্রাস ও মামলাজট নিরসনের লক্ষ্যে সরকার ২০০৩ সালে দেওয়ানি কার্যবিধিতে এডিআর ব্যবস্থাসংক্রান্ত বিধান যুক্ত করে। দেওয়ানি কার্যবিধির দুটি ধারা সংযোজনের মাধ্যমে বিচারিক আদালতে এডিআরের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির বিধান করা হয়। এরপর ২০০৬ সালে আরও একটি ধারা সংযুক্ত করে আপিল আদালতকেও এডিআরের মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা দেওয়া হয়।

২০১২ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে দেওয়ানি কার্যবিধিতে এডিআর ব্যবস্থার ক্ষেত্র ও পরিধি আরও সম্প্রসারিত করা হয়। আপস-মীমাংসার উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়টি আগে ঐচ্ছিক থাকলেও ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাধ্যতামূলক করা হয়। একই সঙ্গে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ, তার পারিশ্রমিক নির্ধারণ, মীমাংসা চুক্তির শর্তাবলি নির্ধারণ এবং মধ্যস্থতা কার্যক্রমের ফলাফল আদালতকে অবহিত করার মতো বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে ২০০১ সালে সালিশ আইন প্রণয়ন করা হয়। এরপর ২০০৩ সালে প্রণীত অর্থঋণ আদালত আইনেও মধ্যস্থতার মাধ্যমে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অর্থ আদায়ের মামলা নিষ্পত্তির বিধান প্রবর্তন করা হয়। ওই আইনের ২২, ২৩, ২৪, ২৫ ও ৩৮ ধারায় মধ্যস্থতাসংক্রান্ত বিধান রয়েছে। ২০১০ সালে আরও একটি ধারা সন্নিবেশের মাধ্যমে অর্থঋণ আদালতের মামলায় আপিল বা রিভিশন পর্যায়েও মধ্যস্থতার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।

স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষমতা দিয়ে ২০০৪ সালে বিরোধ মীমাংসা (পৌর এলাকা) বোর্ড আইন এবং ২০০৬ সালে গ্রাম আদালত আইন প্রণয়ন করা হয়। ২০০৬ সালে প্রণীত শ্রম আইনের ২১০ ধারায় সীমিত আকারে আপস-মীমাংসার বিধান সন্নিবেশিত করা হয়।

২০১৩ সালে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’ সংশোধন করে নতুন একটি ধারা সংযোজন করা হয়। ওই ধারায় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসারকে বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষমতা দেওয়া হয়।

ড. শরীফ ভূঁইয়ার মতে আইনে আপস-মীমাংসার বিধান সন্নিবেশিত করা হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব বিধানকে সমাধানের পথ হিসেবে গ্রহণ করা হয় না। এসব বিধিবিধানের পরিপ্রেক্ষিতে সমাধান খুঁজতে আদালত পক্ষগণকে সময় দিলেও পক্ষগণ বা সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা শুধু সময়টুকুই ক্ষেপণ করেন। কোনো সমাধানের উপায় তারা খোঁজেন না।

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসেও এডিআর: সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতির আওতায় আপস-মীমাংসার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এ অনুমোদন দিয়েছেন।

যেসব আইনের মামলায় এ আপস-মীমাংসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা যাবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ৫ নম্বর ধারা; বাবা-মায়ের ভরণপোষণ আইন, ২০১৩-এর ৫ নম্বর ধারা; যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৩ ও ৪ নম্বর ধারা; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১১(গ) ধারা; দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩৫৪, ৩৭৯, ৩৮০, ৩৮১, ৪০৬, ৪১৭, ৪২০, ৪৯৪, ৫০০, ৫০১ ও ৫১১ নম্বর ধারা; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৮, ৯, ১২, ৩৯, ৪২ ও ৫৪ নম্বর ধারা এবং নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ১৩৮ নম্বর ধারা।

হচ্ছে। ২০২০ সালের পর থেকে সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে ১৬০টি প্রকল্পে ৭৭০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বেসরকারি বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে চিপ উৎপাদন, উন্নত প্যাকেজিং, কাঁচামাল, উৎপাদন সরঞ্জাম ও গবেষণা।

অন্যদিকে চীনও সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্যান্য কৌশলগত প্রযুক্তিতে উদ্যোগ নিয়েছে সক্ষমতা বাড়ানোর। দেশটির নতুন পাঁচ বছরমেয়াদি পরিকল্পনায় সমন্বিত সার্কিট বা চিপের পুরো সরবরাহব্যবস্থায় অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা রয়েছে।

নিষ্পত্তি আইন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    ইয়েতির হাত!

    ইয়েতির হাত!

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    আবারও গরুর মাংস আমদানির দাবি, আগে কেন আটকে গিয়েছিল

    আবারও গরুর মাংস আমদানির দাবি, আগে কেন আটকে গিয়েছিল

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    পুলিশকে ধমক দিলেন, হেলমেট ছুড়ে ফেললেন আখতারুজ্জামান

    পুলিশকে ধমক দিলেন, হেলমেট ছুড়ে ফেললেন আখতারুজ্জামান

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ১২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ১২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে

    আখতারুজ্জামানকে ‘বাতিল মাল’ বললেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

    আখতারুজ্জামানকে ‘বাতিল মাল’ বললেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী