প্রক্সি দিয়ে সরকারি চাকরি, চার যুবক কারাগারে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় নিজেরা অংশ না নিয়ে প্রক্সির মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘অফিস সহায়ক’ পদে চাকরি পাওয়া চার যুবককে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মো. জোনাইদ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাদের জামিন আবেদন শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে।
কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন মো. রাসেল রানা লিটন, মো. আলিম, মো. আলী হায়দার ও মো. মাসুদ ফকির।
এদিন তাদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল গাফফার হিমেল তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ জামিন আবেদন করে এবং মঙ্গলবার শুনানির আবেদন জানায়। শুনানি শেষে আদালত জামিনের বিষয়ে মঙ্গলবার শুনানির দিন নির্ধারণ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদে ২০টি শূন্য পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয় এবং রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্ধারিত সময়ে চারজন যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা সন্দেহজনক মনে হয়। পরে মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ছবির সঙ্গে ফেস ভেরিফিকেশন করা হলে বড় ধরনের অমিল ধরা পড়ে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন।
পরে সচিবালয় কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা করেন।





