সরকারি চাকরি পেতে প্রক্সি, রিমান্ডে ৩ যুবক

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় নিজেরা অংশ না নিয়ে প্রক্সির মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ‘অফিস সহায়ক’ পদে চাকরি পাওয়া চার যুবকের মধ্যে তিনজনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তবে অপর আসামি মো. আলিমকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হলেন- মো. রাসেল রানা লিটন, মো. আলী হায়দার ও মো. মাসুদ ফকির।
এদিন কারাগার থেকে চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আদালত তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাশাপাশি একজনের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পরদিন মঙ্গলবার এই মামলায় তাদের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আবদুল গাফফার হিমেল।
মামলার অভিযোগ বিবরণে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গত ৫ মে অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদের ২০টি শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ জুন লিখিত এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ জুন মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করে। পরবর্তী সময়ে ৬ জুলাই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র প্রদান করে রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে সচিবালয়ের ১ নম্বর ভবনের ১৮০২ নম্বর কক্ষে যোগদানপত্র দাখিল করতে বলা হয়।
নির্ধারিত সময়ে আসামিরা সচিবালয়ে যোগ দিতে এলে তাদের চেহারা ও উপস্থিতি সন্দেহজনক মনে হলে মৌখিক পরীক্ষার সময় তোলা ক্যামেরার ছবির সঙ্গে মেলানো (ফেস ভেরিফিকেশন) হয়।
এ সময় চেহারায় মারাত্মক অসংগতি ধরা পড়লে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তারা স্বীকার করেন, মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রক্সি পরীক্ষার্থীর সহায়তায় পরীক্ষা সম্পন্ন করে নিয়োগপত্র পান। পরে সচিবালয় থেকে তাদের আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এইচ এম আরিফুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।





