নিত্যপণ্যের বাজারচিত্র, কোন পণ্য কত দামে বিক্রি হচ্ছে?

প্রতীকী ছবি
দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো রান্নাঘরের বাজার সওদা। সপ্তাহের ছুটির দিন কিংবা কর্মব্যস্ত সকাল, সব সময়ই ক্রেতা-বিক্রেতার দরদামে মুখর থাকে কাঁচাবাজার। তবে নিত্যপণ্যের দামের ওঠানামা অনেক সময়ই প্রভাব ফেলে গৃহিণীদের মাসিক বাজেটে।
আজ শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে চাল, ডাল, তেল ও মশলাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দরের চিত্রটি কিছুটা ভিন্ন। চলুন, এক নজরে দেখে নেওয়া যাক আজকের বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি-
আজকের বাজারে উন্নত মানের সরু চাল (নাজির/মিনিকেট) কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮৫ টাকায়। মাঝারি মানের পাইজাম বা লতা চাল পাওয়া যাচ্ছে ৫৫-৬৮ টাকায়। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের স্বস্তির মোটা চাল (স্বর্ণা/চায়না/ইরি) বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে।
খোলা আটার কেজি ৪০-৪৫ টাকা এবং প্যাকেটজাত আটা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। অন্যদিকে খোলা ময়দা ৪৮-৬০ টাকা এবং প্যাকেটজাত ময়দার দাম মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭৫ টাকা।
মশুর ডালের বড় দানা ৮৫-১০৫ টাকা এবং মাঝারি দানা পাওয়া যাচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়। তবে ছোট দানার নেপালি মশুর ডালের দাম কেজিপ্রতি ১৪০-১৫০ টাকা। মুগ ডাল মানভেদে ১২০-১৮০ টাকা, অ্যাংকর ৫৫-৭৫ টাকা এবং ছোলা কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯৫ টাকায়।
খুচরা বাজারে খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫-১৯৬ টাকা লিটার এবং ১ লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়। ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম পড়ছে ৯৫০ টাকা। এ ছাড়া খোলা পাম অয়েলের লিটার ১৬২ টাকা এবং সুপার পাম পাওয়া যাচ্ছে ১৭০ টাকায়।
নিত্যপ্রয়োজনীয় আলুর কেজি ২০-২৫ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪৫ টাকায়। মশলার বাজারে রসুনের কেজি মানভেদে ৭০-২২০ টাকা এবং আদা বিক্রি হচ্ছে ১০০-২১০ টাকায়।
শুকনো মরিচ (দেশি) ৩৬০-৩৮০ টাকা হলেও আমদানিকৃত মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪৬০-৪৮০ টাকায়। জিরার কেজি ৬২০-৭০০ টাকা এবং লবঙ্গ পাওয়া যাচ্ছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায়। তবে বাজারে সবচেয়ে দামি মশলা হিসেবে এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে।



