ঢাকায় সিআইডি কার্যালয় ও পল্লবী থানার ভেতর ককটেল নিক্ষেপ

বামে ঢাবি এলাকায় বিস্ফোরিত ককটেল, ডানে সিআইডি কার্যালয়ের ভেতর থাকা সেই গাড়ি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসের পর এবার রাজধানীর মালিবাগে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান কার্যালয় ও পল্লবী থানার ভেতরে ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। দুটি ঘটনাই ঘটেছে আজ রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বীর উত্তম শামসুল আলম সড়কে সিআইডির প্রধান কার্যালয় লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম আরিফ। তিনি বলেছেন, ‘কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
তার ভাষ্য, ‘মালিবাগ ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ককটেলটি নিক্ষেপ করে দুর্বৃত্তরা। সেটি সিআইডি কার্যালয়ের ভেতর স্পেশাল ব্রাঞ্চের একটি গাড়ির ওপর পড়ে বিস্ফোরিত হয়।’
অন্যদিকে পল্লবী থানার ভেতর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) এক সদস্য সামান্য আহত হয়েছেন।
থানা সূত্র বলছে, অজ্ঞাতপরিচয় দুই দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে করে এসে ফ্লাইওভার থেকে থানার ভেতরে ককটেল নিক্ষেপ করে। এ সময় বিস্ফোরিত ককটেলের একটি অংশ এসে থানায় থাকা এসআরবি-৪-এর এক সদস্যের শরীরে লাগে।
এর আগে সন্ধ্যার দিকে ঢাবি ক্যাম্পাসের অন্তত পাঁচটি স্থানে এক ঘণ্টার ব্যবধানে ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অন্তত তিনজনকে আটক করার কথা জানায় শাহবাগ থানা পুলিশ।
আটকরা হলেন— রেজাউল করিম (৪২), সোহেল রানা (৩৩) ও নাজমুস সাদ (৩৩)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন ও হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের মাঠসংলগ্ন এলাকায় দুটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এর কিছুক্ষণ পর টিএসসি এলাকায় পর পর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে শাহবাগগামী সড়কে আরও একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
সর্বশেষ সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ডাকসু ভবনের সামনের সড়কে আরেকটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়।
এ ছাড়া সন্ধ্যায় ভাটারা এলাকায় জলসিঁড়ি ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি স্কুলবাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আগুন দেওয়া বাসটির সামনে একই প্রতিষ্ঠানের আরও একটি বাস পার্ক করা ছিল। তবে ঘটনার সময় বাসটিতে কোনো যাত্রী ছিল না।





