মুগদায় মাথাবিহীন লাশের ৭ টুকরা
দুই বান্ধবী মিলে হত্যা করে সৌদিপ্রবাসী মোকাররমকে

ছবি: আগামীর সময়
প্রেমিকা ও তার বান্ধবী মিলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেন সৌদিপ্রবাসী মোকাররমকে। এরপর লাশ সাত টুকরা করে পলিথিনের বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয় বাড়ির বেজমেন্টের নিচে। এ ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিকার বান্ধবী হেলেনাকে আটক করেছে র্যাব। অন্য বান্ধবীকে ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন র্যাব-৩-এর উপ-অধিনায়ক সাইদুর রহমান।
জানা গেছে, গতকাল রবিবার বিকালে মান্ডা আব্দুল গনি রোডের শাহনাজ ভিলার সামনে বেজমেন্টের নিচ থেকে পলিথিনে মোড়ানো অর্ধগলিত সাতটি খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। নিহতের নাম মোকাররম মিয়া (৩৮)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালশহরের সোহরাব মিয়ার ছেলে। লাশ উদ্ধারের পরপরই থানা-পুলিশের পাশাপাশি ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব।
র্যাব জানায়, যে বাসার নিচ থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে ওই বাসায় ভাড়া থাকেন হেলেনা। বিভিন্ন সময়ে হেলেনার বান্ধবী প্রবাসীকে নিয়ে ওই বাসায় সময় কাটাতেন।
র্যাব-৩-এর উপ-অধিনায়ক সাইদুর রহমান বলেন, পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে প্রায় ৫ লাখ টাকার লেনদেন নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এরপর পরিকল্পনা করা হয় তাকে হত্যা করা হবে। কিন্তু তাতে সায় ছিল না হেলেনার। কিছুদিন আগে সৌদি থেকে মোকাররমকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। এর পর থেকে ওই বাসায় থাকতেন মোকাররম।
তিনি আরও বলেছেন, ‘এরপর এক দিন হেলেনার ১৩ বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে খারাপ কাজ করতে চাইলে বাধা দেন হেলেনা। তারপরই দুই বান্ধবী পরিকল্পনামতে সৌদিপ্রবাসী মোকাররমকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে তার মরদেহ আট টুকরা করে ময়লার মধ্যে ফেলে দেয়। আমরা অভিযান পরিচালনা করে অন্য নারীকে আটকের চেষ্টা করছি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’




