মেয়ে হত্যার প্রমাণ লোপাটে বাসায় ডেকে মাকেও হত্যা!

মা রোকেয়া রহমান ও মেয়ে জোবাইদা রহমান ফাতেমা
রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কালিন্দীর মুক্তিবাগ এলাকায় পাশাপাশি বাসায় থাকতেন মীম আক্তার ও রোকেয়া রহমান। প্রতিবেশী থেকে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। কিন্তু পরিণতিতে এক পরিবার চিরতরে শেষ করেছে আরেকটিকে। বাসায় ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে স্কুলছাত্রী ও তার মাকে। তবে শেষরক্ষা হয়নি, মরদেহের গন্ধই উন্মোচন করেছে রহস্য, ধরা পড়েছেন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। একসঙ্গে জেলে পাঠানো হয় অন্য পরিবারের সদস্যদের। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই রনী চৌধুরীর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে লোমহর্ষক এ বর্ণনা।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বামী ও সন্তান নিয়ে মুক্তিবাগে থাকতেন রোকেয়া। তাদের পাশেই পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকতেন মীম। সেখান থেকে সম্পর্ক গড়ে উঠলেও কয়েক বছর পর অন্যত্র বাসাভাড়া নেন মীম। অদূরে ডায়াবেটিস বাজারে তার বাসায় যাতায়াত শুরু হয় রোকেয়াদের। সেখানে প্রাইভেট পড়ত তার নবম শ্রেণিপড়ুয়া মেয়ে জোবাইদা রহমান ফাতেমা। হঠাৎ একদিন পড়তে গিয়ে মীমের বোন নুরজাহান নুসরাতের সঙ্গে ঝগড়া বাধে জোবাইদার। ক্ষণিকের মধ্যে এই বিবাদ গড়ায় হত্যাকাণ্ডে, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর ফাতেমাকে গলা টিপে খুন করেন নুরজাহান।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন, পড়ার একপর্যায়ে ফাতেমা ও নুরজাহানের মধ্যে ঝগড়া বাধে। তর্কাতর্কির মধ্যে নুরজাহানকে খারাপ মেয়ে বলে গালি দেয় এবং গায়ে হাত তোলে ফাতেমা। এ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে তার গলা টিপে ধরে নুরজাহান। এতে নিথর হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ওই স্কুলছাত্রী।




