আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
‘উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি’

সংগৃহীত ছবি
ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) নেতারা বলেছেন, একটি দেশের উন্নয়নের পরিকল্পনা যতই উন্নত হোক না কেন, তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি।
তাদের ভাষ্য, ‘পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া, প্রযুক্তিকে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করা, অবকাঠামো নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, শিল্পকারখানার উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষির আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারণে দক্ষ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
আজ শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবি ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নেতারা এ কথা বলেন। আইডিইবির ৫৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সামনে রেখে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ‘দক্ষ ডিপ্লোমা প্রকৌশলী, উন্নত দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে এবার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবস-২০২৬ পালিত হবে।
১৯৭০ সালের ৮ নভেম্বর আইডিইবি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইডিইবি কারিগরি শিক্ষার প্রসার, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের পেশাগত মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ৮ নভেম্বর সকাল ১১টায় আইডিইবি ভবনে আলোচনা সভা এবং বর্ণাঢ্য র্যালির উদ্বোধন করবেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
এ ছাড়া ওইদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান প্রচারিত হবে। ৯ নভেম্বর বিকাল ৩টায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি অ্যান্ড এন্ডোডন্টিকস বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।
একই দিন বিকাল ৫টায় পারিবারিক মিলনমেলা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। আর ১৭ নভেম্বর শুভেচ্ছা কার্ড বিতরণ করা হবে। এ ছাড়া ৮-১৪ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের সব জেলা শাখা কার্যালয় থেকে বিনামূল্যে প্রযুক্তি পরামর্শ প্রদান করা হবে।
আইডিইবির নেতারা বলেছেন, দক্ষতা, সততা, দেশপ্রেম ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এবারের প্রতিপাদ্যের মূল লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আইডিইবির আহ্বায়ক প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সদস্য সচিব প্রকৌশলী কাজী সাখাওয়াত হোসেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক (হেডকোয়ার্টার) বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী মো. মুসলিম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক (ঢাকা) প্রকৌশলী মো. হানিফ, যুগ্ম আহ্বায়ক (ফরিদপুর) প্রকৌশলী মো. ইমাম উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক (চট্টগ্রাম) মীর হোসেন পাটোয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক (ময়মনসিংহ) প্রকৌশলী আবেদুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক (রংপুর) প্রকৌশলী মো. সেলিমুর রহমান প্রমুখ।



