বাংলাদেশ পাঠাগার আন্দোলনের ৭১ সদস্যের কমিটি
- সভাপতি রাশেদা, সা.সম্পাদক রিপন

ছবি: আগামীর সময়
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘বাংলাদেশ পাঠাগার আন্দোলন’। সংগঠনটির প্রথম সম্মেলনে ৭১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অধ্যাপক এ এন রাশেদা এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান রিপন। সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল।
আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ও প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়তে পাঠাগার ও পাঠাভ্যাস বিস্তারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ পাঠাগার আন্দোলন একটি দলনিরপেক্ষ, অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী গণসংগঠন। দেশের প্রতিটি জনপদে পাঠাগার প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিটি ঘরে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলাই এর মূল লক্ষ্য। সম্মেলনের স্লোগান ছিল, ‘একটাই মন্ত্র জনগণতন্ত্র, একটাই যুক্তি শোষণমুক্তি।’
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম এম আকাশ। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও গবেষক ড. নিতাই দাস, লেখক ও কলামিস্ট অধ্যাপক আবু তাহের খান, সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা নিখিল দাশ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি হাসান হাফিজুর রহমান সোহেল এবং বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি ডা. ফজলুর রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
সম্মেলন প্রস্তুতি পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আকমল হোসেন উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালনা করেন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এরপর একটি বর্ণাঢ্য র্যালি রাজপথ প্রদক্ষিণ করে। পরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির আদর্শ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক এ এন রাশেদা একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা বার্তা সম্পাদক। সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান রিপন সাবেক প্রগতিশীল ছাত্রনেতা। সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জলও সাবেক ছাত্রনেতা।
সম্মেলন থেকে দেশের প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে পাঠাগার ও পাঠচর্চার আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।




