এনজিও ব্যুরো অফিসকে তামাকমুক্ত ঘোষণা

তামাকমুক্ত প্রাঙ্গন শীর্ষক অনুষ্ঠানে ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া।
এনজিওবিষয়ক ব্যুরো অফিসকে জাতীয় নির্দেশিকা অনুসরণ করে সম্পূর্ণ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যমুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বুধবার এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর সভাকক্ষে আয়োজিত ‘টেকসই তামাক নিয়ন্ত্রণ উদ্যোগ: এনজিওবিষয়ক ব্যুরো অফিস প্রাঙ্গনকে তামাকমুক্ত ঘোষণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জকরিয়া।
ঘোষণায় বলা হয়, এখন থেকে এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর অফিস প্রাঙ্গণে যেকোনো ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। এর ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আগত দর্শনার্থীরা পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষিত থাকবেন। একই সঙ্গে তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত জাতীয় নির্দেশিকা অনুসরণ করে অফিসের সব কার্যক্রম সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত পরিবেশে পরিচালিত হবে।
মোহাম্মদ জকরিয়ার ভাষ্য, ধূমপানের কারণে শুধু ধূমপায়ীই ক্ষতিগ্রস্ত হন না, বরং সমানভাবে ক্ষতির শিকার হন তার আশপাশে থাকা অধূমপায়ীরাও। তাই অধূমপায়ীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরামের আহ্বায়ক শিবানী ভট্টাচার্য জানান, এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর কার্যালয়কে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যমুক্ত ঘোষণা নিঃসন্দেহে একটি দূরদর্শী ও জনস্বাস্থ্যবান্ধব উদ্যোগ। এর মাধ্যমে ব্যুরো শুধু একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি, বরং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক নিয়ন্ত্রণে তাদের দৃঢ় অবস্থানেরও পরিচয় দিয়েছে।
আমরা আশা করি, ব্যুরোর আওতাধীন সব এনজিও প্রতিষ্ঠান ও কার্যালয় পর্যায়ক্রমে ধূমপানমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
সভাপতির বক্তব্যে নারী মৈত্রীর নির্বাহী পরিচালক শাহীন আকতার ডলির ভাষ্য, এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর এই উদ্যোগ তামাক নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত ইতিবাচক ও তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে এটি যেন শুধু ঘোষণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য ব্যুরোর সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন এবং সেই সদিচ্ছা এই অফিসের সবার মধ্যেই রয়েছে বলে বিশ্বাস করি আমি। এনজিওবিষয়ক ব্যুরোকে দেখে অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি কর্মক্ষেত্রও অনুপ্রাণিত হবে বলে আশা করি।
অনুষ্ঠানে এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক (যুগ্মসচিব) ব্যারিস্টার মো. খলিলুর রহমান খানসহ ব্যুরোর কর্মকর্তা, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।




