Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
দুর্ঘটনা থেকে বাঁচালেন ক্যাপ্টেন আসিফ
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

দিনে যেতে পারে সাড়ে ৬ লাখ যায় ৩০ লাখ

সজিব ঘোষ
সজিব ঘোষ
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ০৭:১৭
দিনে যেতে পারে সাড়ে ৬ লাখ যায় ৩০ লাখ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

তবু ঘরে ফেরা। মায়ের মুখ। মমতার সন্তান। প্রিয়জনের অপেক্ষা। শৈশবের খেলার আঙিনা। এসব কিছুর জন্য হলেও ফিরতে হবে ঘরে। সঙ্গে থাকা দায়িত্ব। বন্ধুদের সঙ্গে নামাজে দাঁড়ানো। বিকালে চেনা মাঠের কোণে আড্ডায় মেতে উঠতে হলে ঘরে ফিরতেই হবে। কিন্তু ফেরার পথটা তো সহজ নয়। ভাঙা রাস্তা। পশুর হাট। গাড়ির দীর্ঘ জটলা। আকাশকালো বৃষ্টি। সবকিছুকেই করতে হবে উপেক্ষা। যদিও পথটা সহজ নয়। পাড়ি দেওয়ার বাহন জোগানই যেন বড় পরীক্ষা।

আরও পড়ুন

মৃত্যু বেড়েছে ৭৭% আহত ৩৫১%

২২ মে ২০২৬


রাজধানী ঢাকা দেশের প্রাণকেন্দ্র। কিন্তু কোটি মানুষের ভিড়ে সেই প্রাণ খুঁজে পাওয়া বড়ই কঠিন। সবাই ব্যস্ত। শুধু ছুটছে আর ছুটছে। দুদণ্ড দম নিতে ছুটতে হয় ঘরে যেতে। কারণ একটাই। ভঙ্গুর পরিবহন ব্যবস্থা। যাতায়াতের মানহীন বাহনে জায়গা নিশ্চিত করাও এক লড়াই। ঢাকা থেকে দিনে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ যাত্রী গন্তব্যে পৌঁছানোর রয়েছে পরিবহন সক্ষমতা। কিন্তু ঈদের আগে এ সংখ্যা গিয়ে ঠেকে গড়ে ৩০ লাখে। আর তখনই জ্বলজ্বল করে ফুটে ওঠে ভঙ্গুর গণপরিবহন ব্যবস্থায় বিপর্যয়ের ছবি।

সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর ও সড়ক নিয়ে কাজ করা সংগঠনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেল, আসছে সোম, মঙ্গল ও বুধবার ঢাকা এবং আশপাশের অঞ্চল থেকে ছাড়বে ৯০ লাখ মানুষ, যা দিনে গড়ে ৩০ লাখ। অথচ বাস, ট্রেন ও লঞ্চের মতো প্রচলিত গণপরিবহনে দিনে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৭৯৬ জনের। বিমানের ৬ হাজার ৬০৬ যাত্রীর সঙ্গে মোটরসাইকেল এবং ব্যক্তিগত বা ভাড়ায় নেওয়া গাড়িতে সুযোগ থাকে আরও ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহনের। সব মিলিয়ে এ সংখ্যা ৬ লাখ ৫১ হাজার ৪০২ জনে গিয়ে ঠেকে। কিন্তু যাত্রী পরিবহন করতে হয় সক্ষমতার অন্তত পাঁচগুণ।

আরও পড়ুন

এবারের শঙ্কা ৯৪ হটস্পট

২২ মে ২০২৬

কিন্তু এ সংকট মিটবে কী করে? পরিবহন মালিকদের কথায়, দুই ঈদের সঙ্গে আরও বড় কিছু ছুটি যুক্ত করলেও বছরে ২০ থেকে ২৫ দিনের বেশি তৈরি হয় না এমন ভয়াবহ পরিবহন সংকট। ফলে কদিনের সংকট কমাতে সারা বছরের সক্ষমতা বাড়ানোর মতো কারণ দেখেন না তারা। আর সংকটে ভালো ব্যবসা করার সুযোগটাও হাতছাড়া করতে চান না কেউ।

ঈদযাত্রায় পরিবহনের সংকট, সমাধানের উপায়, ভবিষ্যৎ করণীয় ও মন্ত্রণালয় কী করছে— এসব নিয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদের সঙ্গে কথা বলেছে আগামীর সময়। তিনিও স্বীকার করলেন, ঈদযাত্রা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে যে সক্ষমতা দরকার, তা নেই। মন্ত্রী বললেন, ‘আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করি আমাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহারের মধ্য দিয়ে কাজ করার। রেল ও সড়কের ওপর চাপ বাড়ে বেশি। আমরা এগুলোকে অনেক ক্ষেত্রে বিকেন্দ্রিক করার চেষ্টা করি। তবে ঈদের আগের দিন বিপুল যাত্রী একসঙ্গে রেলস্টেশন ও বাস টার্মিনালগুলোতে চলে আসেন।’

যদিও এর দায় সরকারি প্রতিষ্ঠানকে দিতে চান গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী। তিনি বললেন, ‘বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কয়েক দিনের জন্য সারা বছরের ক্যাপাসিটি (সক্ষমতা) বাড়িয়ে রাখবে না। কিন্তু সরকারি প্রতিষ্ঠানের তো শুধু ব্যবসায়িক চিন্তা করলে হবে না। সড়কে না হয় চাইলেই গাড়ি নামানোর সুযোগ থাকে না। কারণ, সড়কেরও চাপ সওয়ার মাত্রা রয়েছে। তবে রেল ও নৌপথে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্যাপাসিটি বাড়িয়ে রাখার উদ্যোগ নিতে হবে। সেই সুযোগ আছে। চাইলেই আরও ট্রেন ও লঞ্চ বাড়ানো যাবে। ব্যবস্থা আছে, শুধু উদ্যোগ লাগবে।’

যাত্রী কল্যাণ সমিতির কাছ থেকে একটি হিসাব নিয়েছে আগামীর সময়। প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে যাত্রীদের নিয়ে কাজ করে আসছে। সংগঠনটির হিসাব বলছে, আগামী সোমবার ঢাকা ছাড়বে ২০ লাখ মানুষ, পরদিন মঙ্গলবার ৩০ লাখ, তার পরদিন বুধবার ৪০ লাখ। এ ছাড়া ঈদের পর ঢাকা ও আশপাশের অঞ্চল থেকে আরও ১২ লাখ মানুষ ফিরবে ঘরে।

হিসাব করে পাওয়া তথ্য দেখাচ্ছে, স্বাভাবিকভাবে ঢাকা থেকে বাসে দিনে সর্বোচ্চ পরিবহন করা যায় ৪ লাখ ৮০ হাজার যাত্রী। ট্রেনে যাত্রীর সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৯৬ এবং লঞ্চে ৫৫ হাজার জন। আর মোটরসাইকেলে দিনে ২০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা হয় বলে ধারণা। কিন্তু ট্রেনের ছাদে, খোলা ট্রাকে, মহানগরীর লোকাল বাসে, ভেঙে ভেঙে বিভিন্ন ছোট যানে আরও কতশত মানুষ গন্তব্যে ছুটবে সে হিসাব অজানা। সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলছিলেন, আলাদাভাবে অতিরিক্ত কোচ লাগিয়ে ট্রেনে যাত্রী পরিবহন সুবিধা বাড়ানোর চেষ্টা থাকে তাদের। সড়কে যুক্ত করা হয় বিআরটিসির বাস। তবে কিছু ক্ষেত্রে যাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে উঠে পড়েন ট্রেনের ছাদে। এমন প্রেক্ষাপটে ইচ্ছে থাকলেও হাজার হাজার যাত্রীর চাপ সীমিত জনবল দিয়ে সামাল দিতে পারেন না— এমনটাই দাবি করলেন হাবিবুর রশিদ।

বাসে তিন দিনে ১৫ লাখ যাত্রী: বিআরটিএ’র নথিতে নিবন্ধিত বাসের সংখ্যা ৫৮ হাজার ৫৮৯টি। কিন্তু বাস্তবে অস্তিত্ব নেই এত বাসের। কত বাস অচল হয়েছে, ডাম্পিং বা ধ্বংস হয়েছে অথবা ভেঙে ফেলা হয়েছে— সেগুলোর হিসাব নেই সরকারের কাছে।

দেশে বাস চলে মূলত তিন সংগঠন— ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি এবং বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কবজায়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির তথ্য বলছে, এবার ঈদে ঢাকা থেকে নিয়মিত চলবে আট হাজার বাস। কাছাকাছি দূরত্বে ট্রিপ দিতে পারবে একাধিক। যানজটে আটকে গেলে দূরের যাত্রায় পড়তে পারে ট্রিপ বিপর্যয়েও। ৮ হাজার বাসে গড়ে ট্রিপ হবে ১২ হাজার। প্রতি বাসে গড়ে ৪০ জন যাত্রী পরিবহন করা গেলে ১২ হাজার বাসে পরিবহন করা যাবে ৪ লাখ ৮০ হাজার যাত্রী। অর্থাৎ, ঈদের আগের তিন দিনে মোটা দাগে সাড়ে ১৪ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহনের নেই সুযোগ।

পরিবহন মালিকরাও যেন নিরুপায়। করণীয় জানতে চাইলে ‘দুদিন সমস্যা হবেই’— এমন কঠিন কথা সরলভাবে জানিয়ে দিলেন সংগঠনটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. জোবায়ের মাসুদ। তার ভাবনায়, ‘মূল সমস্যা হয় ঈদের আগের দুদিন। এবারও ২৬ ও ২৭ মে যাত্রীর ব্যাপক চাপ তৈরি হবে। এই চাপ পুলিশ, বিআরটিএ, আমরা সবাই মিলেও সামাল দিতে পারি না। বাকি দিনগুলো স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু ওই দুদিনের বদনামই আমাদের সারা বছর শুনতে হয়।’

ছুটবে ২১৮ ট্রেন: ঈদে ঢাকা থেকে বিভিন্ন অঞ্চলে ছেড়ে যাবে ২১৮ ট্রেন। পূর্বাঞ্চলে চলবে ১১৮টি, বাকি ১০০টি চলবে পশ্চিমাঞ্চলে। এটা অবশ্য ২৩ থেকে ২৭ মে পর্যন্ত চলা মোট ট্রেনের সংখ্যা। গড়ে দিনে ৪৩টি ট্রেন যাত্রী নিয়ে কমলাপুর থেকে রওনা দেবে। ঈদের আগে পাঁচ দিনে ঢাকা থেকে ট্রেনের সব ধরনের শ্রেণি মিলিয়ে মোট আসন রয়েছে ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৮৭টি। সঙ্গে যাত্রার দিন আরও ২৫ শতাংশ যাত্রী চড়বেন স্ট্যান্ডিং টিকিটে। দিনে গড়ে ৩৯ হাজার ৭৯৬ জন ট্রেনে ভ্রমণের পাবেন বৈধ সুযোগ।

বাকিরা যাবেন কীভাবে? ট্রেনে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা কবে বাড়বে? জবাবে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন নিরুপায় ভঙ্গিতে স্পষ্টভাবে বললেন, ‘ঈদের চাহিদার চাপ সামাল দেওয়া অসম্ভব। দীর্ঘ পরিকল্পনা করে কোচ, লোকোমোটিভ ও জনবল বাড়ানো হলেও চাহিদার সিকিভাগও মেটানো যাবে না। তবুও ট্রেনে যাত্রী ধারণক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।’

সিকিভাগও যে মেটানো যাবে না— এর ধারণা পাওয়া যায় চাহিদা দেখেই। ঈদে ট্রেনের টিকিট পেতে অনলাইনে হিট পড়েছে ২২ কোটি ১৫ লাখ। এক দিনে সর্বোচ্চ হিট পড়ে ৫ কোটি ৫৫ লাখ।

জলে লঞ্চ, আকাশে বিমান: লঞ্চ মালিক সমিতির তথ্য বলছে, সদরঘাট থেকে চলাচলের জন্য লঞ্চ প্রস্তুত আছে ১২১টি। এসব লঞ্চ দিনে ট্রিপ দিবে ১৫০টি। সব লঞ্চ মিলিয়ে এক দিনে ৫০ থেকে ৫৫ হাজার যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। তিন দিনে তা দেড় লাখের আশপাশে ঘুরবে।

গত ঈদে চার লাখের মতো মানুষ লঞ্চে চড়ে বাড়ি গেছে— এমন তথ্য জানিয়েছেন সমিতির মহাসচিব সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী। বললেন, ‘এবারও সংখ্যাটা এমনই হবে। চাপ সামলাতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। অন্যবারের তুলনায় এবার কেবিনের চাহিদাও বেড়েছে।’

দেশের অভ্যন্তরীণ পথে চলাচলে বিমানযাত্রীর সংখ্যার ধারণা দিয়েছে বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। গত বছর ২৪ লাখ ১১ হাজার ৪৩৭ জন যাত্রী চলাচল করেছেন আকাশপথে। এতে গড়ে দিনে বিমানের যাত্রী ৬ হাজার ৬০৬ জন। ঈদে ফ্লাইট না বাড়লে আসন গড়ে এমনই থাকবে।

মোটরসাইকেল, অ্যাম্বুলেন্সেও যাবেন যাত্রী: করোনা মহামারীর সময় ব্যক্তিগত যান থেকে মোটরসাইকেল রূপ নেয় গণপরিবহনে। তারপর সে চিত্র আর বদলায়নি। অনেকে যাত্রী টানেন ভাড়ায়, কেউবা নিজেই মোটরসাইকেল চালিয়ে যান বাড়ি। ধারণা করা হয়, দিনে ১০ হাজার মোটরসাইকেলে ২০ হাজার মানুষ বাড়ি যান।

ঈদের সময় পরিবহন সংকটের কারণে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করেও বাড়ি যাওয়ার ঘটনা ঘটে। কিছু ক্ষেত্রে একজনকে রোগী সাজিয়েও ভাড়া করা হয় অ্যাম্বুলেন্স। সঙ্গে থাকে ব্যক্তিগত গাড়ি ও ভাড়ার মাইক্রোবাসও। পরিবহনসংশ্লিষ্টদের অনুমান, এসবে দিনে ৫০ হাজার যাত্রী টানা সম্ভব।

ট্রেনের ছাদ, খোলা ট্রাক: শেষ মুহূর্তে ট্রেনের ছাদেও দেখা যায় উপচেপড়া ভিড়। কোরবানির ঈদে ঢাকায় যেসব ট্রাক পশু নিয়ে আসে, যেসব ট্রাকে করেও মানুষ বাড়ি ফেরে। গাজীপুর, সাভার ও নারায়ণগঞ্জের মতো শিল্পাঞ্চলগুলোয় থাকা ভাসমান শ্রমজীবী মানুষরা মহানগরীতে চলে এমন লোকাল বাস রিজার্ভ করেও দূরের যাত্রা পাড়ি দেন। এসব পথে যাত্রী কত, তা হিসাব করার কেউ নেই।

শেষ মুহূর্তের দুরবস্থা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বললেন, ‘ঈদের আগের যাত্রীর চাপ সামাল দেওয়ার সক্ষমতা আমাদের তৈরি হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে মানুষ গরু নিয়ে আসা ফিরতি খালি ট্রাকের যাত্রী হয়। ঝুঁকি নিতে ট্রেনের ছাদে উঠে বাড়ি ফেরে। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে হলেও মহানগরীর লোকাল বাস, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে করে বাড়ির পথে রওনা করতে হয়।’

ঘরে ফেরা৩০ লাখপ্রিয়জনের অপেক্ষা
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১২ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    ১২ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ০
    সুইজারল্যান্ড
    ০
    ১৫ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    স্পেন
    ০
    advertisement
    advertisement
    ৫ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যান চলাচল

    ৫ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যান চলাচল

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০০:২৭

    ‘মেসি যে ৮টা অসাধারণ গোল করেছে, ওরা তা দেখে না’

    ‘মেসি যে ৮টা অসাধারণ গোল করেছে, ওরা তা দেখে না’

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৮

    কক্সবাজারে পাহাড়ধসে গৃহবধূর মৃত্যু

    কক্সবাজারে পাহাড়ধসে গৃহবধূর মৃত্যু

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯

    একবার গুছিয়ে উঠতে পারলে স্পেন ভয়ংকর

    একবার গুছিয়ে উঠতে পারলে স্পেন ভয়ংকর

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৮

    ম্যাচ শুরুর আগেই টাকাটা ফিফার হাতে পৌঁছানো দরকার : তনিমা হামিদ

    ম্যাচ শুরুর আগেই টাকাটা ফিফার হাতে পৌঁছানো দরকার : তনিমা হামিদ

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:১২

    বেলিংহ্যামের গোলে সমতা

    বেলিংহ্যামের গোলে সমতা

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৪

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সঠিক পথে সরকার

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সঠিক পথে সরকার

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১

    ভক্তদের বিশ্বরেকর্ড

    ভক্তদের বিশ্বরেকর্ড

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:২২

    এক পাতিলের সংসার

    এক পাতিলের সংসার

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫

    আড়াই হাজার কোটির ক্লাবে কিয়ারা আদভানি

    আড়াই হাজার কোটির ক্লাবে কিয়ারা আদভানি

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৪

    ‘তোমার গানে জাগবে জুলাই’ দেশাত্মবোধক গানের প্রতিযোগিতা

    ‘তোমার গানে জাগবে জুলাই’ দেশাত্মবোধক গানের প্রতিযোগিতা

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৮

    হপকিন্সের প্রথম অ্যালবাম ‘সারা জীবন আমি সুরই সৃষ্টি করেছি’

    হপকিন্সের প্রথম অ্যালবাম ‘সারা জীবন আমি সুরই সৃষ্টি করেছি’

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৫

    রুয়েটডিসির মূল ভিত্তি গ্রুমিং

    রুয়েটডিসির মূল ভিত্তি গ্রুমিং

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬

    ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন যুবদল নেতা কলিম হোসেন

    ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন যুবদল নেতা কলিম হোসেন

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:০৫

    ৩ হাজার থেকে ৪ লাখ

    ৩ হাজার থেকে ৪ লাখ

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:১১

    advertiseadvertise