আগামী ৭২ ঘণ্টায় ১৬ জেলায় বন্যার শঙ্কা

মৌসুমী বায়ু ও বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম। চট্টগ্রাম কাপাসগোলা এলাকা থেকে দুপুর ১.৪০ মিনিটের তোলা ছবি- রনি দে
লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের ১৬ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। এ সময় তিস্তাসহ উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কোথাও কোথাও বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ পূর্বাভাস দিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের আশঙ্কা রয়েছে। পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি পানি সমতল কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮টিতে পানি বেড়েছে, ৮৬টিতে কমেছে এবং তিনটিতে অপরিবর্তিত রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী তিন দিনে গোমতী, মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে বান্দরবান, কক্সবাজার, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ির নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নিচু এলাকাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে এসব জেলার নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও দ্রুত বাড়তে পারে। এর মধ্যে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিস্তা নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নীলফামারী ও লালমনিরহাটের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের কিছু স্থানে সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে এবং নদী তীরবর্তী নিচু এলাকা প্লাবিত হতে পারে।





