Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
সড়ক সংস্কার করেন ছাত্তার
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিবিধ

আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস

রোহিঙ্গা দম্পতির ১১ সন্তান!

ইমরান হোসাইন, কক্সবাজার
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬, ১৭:০৮
রোহিঙ্গা দম্পতির ১১ সন্তান!

ছবি: আগামীর সময়

আগুনে পুড়ছিল গ্রামের পর গ্রাম। চারদিকে গুলির শব্দ, আতঙ্ক আর মৃত্যু। প্রাণ বাঁচাতে ২০১৭ সালের ২৮ আগস্ট গভীর রাতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুচিডং শহরের নিকটবর্তী চেরাংপাড়া গ্রাম থেকে ৯ সন্তান সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশে হাঁটা শুরু করেন ছৈয়দ আহমদ ও রাবেয়া খাতুন দম্পতি। সাত দিন পাহাড়, জঙ্গল ও নদী পেরিয়ে তারা পৌঁছান উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার পর রাবেয়া খাতুন আরও দুই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এখন তাদের সন্তানের সংখ্যা ১১। বর্তমানে এক নাতিসহ পরিবারের সদস্য ১৪ জন। এর মধ্যে শিশুই চারজন।
গত মঙ্গলবার দুপুরে কুতুপালং ক্যাম্প-৩-এর এফ-ব্লকের ১১০ বর্গফুটের ছোট্ট ঘরে বসে ছৈয়দ আহমদ বলেছেন, ‘মিয়ানমারে যখন ছিলাম তখন ৯ সন্তান ছিল। বাংলাদেশে আসার পর আরও দুই সন্তান হয়েছে। পরিবার বড় হয়েছে, কিন্তু খাদ্য সহায়তা কমেছে। নেই আয়ের সুযোগও। তাই এখন সংসার চালানো খুব কঠিন।’

আরও পড়ুন

কক্সবাজারে এইডস রোগীর শীর্ষে রোহিঙ্গা

২০ জুন ২০২৬

ছৈয়দ আহমদের বড় ছেলে ওমর ফারুক (৩৫) দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। বিয়ে করলেও তার সন্তান নেই। দ্বিতীয় ছেলে মোহাম্মদ তৈয়ব (৩৩) দিনমজুরের কাজ করেন। কখনো ক্যাম্পের ভেতরে, কখনো বাইরে। তার পাঁচ মাস বয়সী শিশু রয়েছে। আরেক ছেলে মোহাম্মদ হারুন (৩০) সাগরপথে মালয়েশিয়ায় চলে গেছেন। মেয়েদের কেউ বিয়ে করে আলাদা সংসার গড়েছেন, কেউ পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছেন, আবার কেউ এখনো ক্যাম্পের শিক্ষাকেন্দ্রে পড়ছেন।

১৪ সদস্যের এই পরিবার মাসে ১৫৬ ডলার খাদ্য সহায়তা পায়। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ১৯ হাজার টাকা। কিন্তু পরিবারটির দাবি, এত বড় সংসারের জন্য এ সহায়তা যথেষ্ট নয়। মানবিক সহায়তা হিসেবে পাওয়া ১২ লিটারের গ্যাস সিলিন্ডারও পুরো মাস চলে না। শেষদিকে কাঠের লাকড়ির ওপর নির্ভর করতে হয়।

আরও পড়ুন

স্থানীয়রা ৫ লাখ, রোহিঙ্গা ১৫ লাখ; কক্সবাজারে ভীতিকর প্রভাব

২০ জুন ২০২৬


শুধু ছৈয়দ আহমদের পরিবার নয়, পাশের ব্লকের বাসিন্দা জামাল হোসেন ও ছকিনা খাতুন দম্পতির গল্পও প্রায় একই। ২০১৭ সালে ৯ সন্তান নিয়ে বাংলাদেশে আসা পরিবারটিতে আরও তিন শিশুর জন্ম হয়েছে। পরিবারের সদস্যসংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু জীবনযুদ্ধও হয়েছে আরও কঠিন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বাইরে ধাত্রীদের মাধ্যমে হওয়া প্রসবের হিসাব যুক্ত করলে প্রতিদিন গড়ে ৭২ শিশুর জন্মের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় প্রায় তিনটি নতুন শিশুর জন্ম হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। বছরে যুক্ত হচ্ছে প্রায় ২৬ হাজার নতুন মুখ।

রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক তহবিল সংকটের কারণে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) নতুন নীতিমালায় পরিবারভেদে মাথাপিছু খাদ্য সহায়তা ৭, ১০ ও ১২ ডলারে নির্ধারণ করেছে। আগে সবাই সমানভাবে ১২ ডলার পেতে।

সুস্থ-সবল কিশোর ও যুবকদের জন্য অনেক ক্ষেত্রে মাসিক খাদ্য সহায়তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৫৯ টাকা। এই অর্থে এক মাসের খাদ্যচাহিদা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব বলে দাবি ক্যাম্পবাসীদের।
ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের সাবেক চিকিৎসক ডা. ওয়াসিফ কামাল নাদিম মনে করেন, ‘পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম থাকলেও বাস্তবে অনেক পরিবার এখনো বড় পরিবার গঠনের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।’

আরও পড়ুন

বিশ্বের সর্বোচ্চ জনবসতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে, কিলোমিটারে ৬৪ হাজার মানুষ

২০ জুন ২০২৬


বিশ্ব শরণার্থী দিবসে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো— প্রতিদিন জন্ম নেওয়া নতুন শিশু মানে শুধু নতুন জীবন নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে খাদ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যতের নতুন দায়।

কক্সবাজার সিভিল সোসাইটির সভাপতি আবু মুর্শেদ চৌধুরী খোকার ভাষায়, ‘৯ বছর আগে মানবিক কারণে নির্যাতিত একটি জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই সাময়িক আশ্রয় এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জটিল দীর্ঘমেয়াদি শরণার্থী সংকটগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।’




বিশ্ব শরণার্থী দিবসরোহিঙ্গাকক্সবাজার
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ন্যাম ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    ন্যাম ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে লাখো মানুষের ঢল

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে লাখো মানুষের ঢল

    ডিজেলসহ সব জ্বালানি তেলে লিটারে বাড়ল ২০ টাকা

    ডিজেলসহ সব জ্বালানি তেলে লিটারে বাড়ল ২০ টাকা

    ইতালির স্কুলে মুখ ঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ ও বিদেশি শিক্ষার্থী সীমিতের ঘোষণা মেলোনির

    ইতালির স্কুলে মুখ ঢাকা পোশাক নিষিদ্ধ ও বিদেশি শিক্ষার্থী সীমিতের ঘোষণা মেলোনির

    আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, জ্যামে আটকা ফায়ার সার্ভিস

    আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, জ্যামে আটকা ফায়ার সার্ভিস

    জুতা সেলাইয়ে ৩৫ বছর পার, এখন দিনে আয় ১০০-২০০ টাকা

    জুতা সেলাইয়ে ৩৫ বছর পার, এখন দিনে আয় ১০০-২০০ টাকা

    হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালাবে না : ট্রাম্প

    হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালাবে না : ট্রাম্প

    ২১৬ দিন পর যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু

    ২১৬ দিন পর যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ শুরু

    শেরেবাংলা নগরে হচ্ছে বিভাগীয় কমিশনারের নিজস্ব কার্যালয়

    শেরেবাংলা নগরে হচ্ছে বিভাগীয় কমিশনারের নিজস্ব কার্যালয়

    আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বিতরণের অনুমোদন

    আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বিতরণের অনুমোদন

    অপ্রতিম হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি ৩ আসামির

    অপ্রতিম হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি ৩ আসামির

    নামফলকে জাকসু জিএসের নাম, ছাত্রদলের ক্ষোভের মুখে সরিয়ে নিল প্রশাসন

    নামফলকে জাকসু জিএসের নাম, ছাত্রদলের ক্ষোভের মুখে সরিয়ে নিল প্রশাসন

    মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ঢাকার ডুবন্ত রাস্তায় ২ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিল ছোট্ট আল মাহমুদ

    মানুষের প্রাণ বাঁচাতে ঢাকার ডুবন্ত রাস্তায় ২ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিল ছোট্ট আল মাহমুদ

    শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে 'কুমিল্লা কনসেপ্ট' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে

    শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে 'কুমিল্লা কনসেপ্ট' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে

    অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আটক আনাসকে ছেড়ে দিয়েছে এসআরবি

    অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আটক আনাসকে ছেড়ে দিয়েছে এসআরবি