লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত

পর্তুগালের লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপন। ছবি: আগামীর সময়
পর্তুগালের লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দূতাবাস প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সামিয়া ইসরাত রনি। সঞ্চালনা করেন দূতালয়প্রধান এস এম গোলাম সরোয়ার।
পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। জুলাই আন্দোলনে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতাও পালন করেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বাণী পাঠ করা হয়।
পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের তাৎপর্য ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা, জুলাই আন্দোলনে প্রবাস থেকে অংশ নেওয়া ব্যক্তি এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
আলোচনায় বক্তারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।
বক্তারা ঢাকা ও লিসবনের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং ঢাকায় পর্তুগালের দূতাবাস স্থাপনের দাবি জানান। তাদের মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ, বাণিজ্য ও প্রবাসীদের যাতায়াত আরও সহজ হবে।
চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সামিয়া ইসরাত রনি তার বক্তব্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি দেশের উন্নয়ন ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।




