১০ মিনিটে ৬৬টি হট ডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা

২০২৬ সালের নাথানস ফেমাস হট ডগ খাওয়ার প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা। ছবি: এনডিটিভি
মাত্র ১০ মিনিটে ৬৬টি হট ডগ খেয়ে আবারও চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন জোয়ি চেস্টনাট। যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতায় জিতে পেয়েছেন প্রায় সাড়ে ৯ লাখ টাকা পুরস্কারও।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কের কোনি আইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী নাথানস ফেমাস হট ডগ খাওয়ার প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় আবারও শিরোপা জিতেছেন জোয়ি চেস্টনাট ও মিকি সুদো। পুরুষ বিভাগে চেস্টনাট ৬৬টি এবং নারী বিভাগে সুদো ৩৮ দশমিক ৭৫টি হট ডগ খেয়ে বিজয়ী হন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় পুরুষ বিভাগে এটি চেস্টনাটের ১৮তম এবং নারী বিভাগে সুদোর রেকর্ড ১২তম শিরোপা।
প্রতিযোগিতা শেষে চেস্টনাট নিউইয়র্ক পোস্টকে বলেছেন, ‘৪ জুলাই এখানে খেতে পারা একটি স্বপ্নের মতো। পরিবেশ ছিল দারুণ প্রাণবন্ত। পৃথিবীতে এর চেয়ে ভালো জায়গা আর নেই।’
এই জয়ের জন্য প্রতীকী ‘মাস্টার্ড ইয়েলো বেল্ট’ এবং ১০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।
আন্তর্জাতিকভাবে সম্প্রচারিত এই প্রতিযোগিতায় ২১ বার অংশ নিয়ে ১৮ বার শিরোপা জিতেছেন চেস্টনাট। এবার তিনি ৫১টি হট ডগ খাওয়া প্যাট্রিক বার্তোলেত্তিকে বড় ব্যবধানে হারান। তবে ২০২১ সালে গড়া নিজের ৭৬টি হট ডগ ও বান খাওয়ার বিশ্বরেকর্ড ভাঙতে পারেননি।
চেস্টনাট জানিয়েছেন, প্রায় ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার কারণে স্বাভাবিক গতিতে খেতে পারেননি। গরম আবহাওয়া ক্লান্ত করে দিয়েছিল তাকে। তাই ধৈর্য ধরে প্রতিযোগিতা শেষ করাই ছিল তার লক্ষ্য।
অন্যদিকে, নারী বিভাগের প্রতিযোগী মিকি সুদোর দখলেই রয়েছে ২০২১ সালে গড়া ৫১টি হট ডগ খাওয়ার বিশ্বরেকর্ড। প্রতিযোগিতা শেষে তিনি গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে উৎসাহ দেন তার স্বামীকে। ২০২১ সালে মাত্র তিন মিনিটের কিছু বেশি সময়ে ৫০টি সেদ্ধ ডিম খেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ার পরই বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তার স্বামী সুদোকে।
বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে সুদো বলেছেন, ‘আমি নিজের অভ্যাসের ওপর ভরসা রেখেছিলাম। দর্শকদের উৎসাহই আমাকে আরেকটি শিরোপা জিততে সাহায্য করেছে।’
১৯৭২ সাল থেকে প্রতি বছর নিউইয়র্কের কোনি আইল্যান্ডে নাথানস ফেমাসের মূল রেস্তোরাঁর সামনে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়।
সূত্র: এনডিটিভি





