হয়তো

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
আমাদের ঘরের পাশের দেশ ভারত। বিশ্ব মঞ্চে বলিউডের দেশ। মসলা ভূমি। ক্রিকেট বিস্ময়।
অনেকে আবার ‘স্কেমার’ (প্রতারক) দেশ হিসেবেও টেনে বসান সমালোচনার টেবিলে। তবে এসবই নাকি হয়ে যাবে পুরনো দিনের অ্যালবাম। আগের ভারতের পরিচয়। ২০৭৫ সাল থেকে হিন্দুস্তানকে নতুন নামে চিনবে পুরো দুনিয়া— বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। জাপান, যুক্তরাষ্ট্রকে অতিক্রম করে অর্থনীতির লংজাম্পে এক লাফেই রুপা জিতবে ভারত। ২০২৩ সালেই সে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস। একই বছরে এ বিষয়ের এক বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ অর্থনৈতিক সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি।
ভারতের এ অগ্রগতির মূল কারণ হিসেবে দেশটির বিশাল জনসংখ্যাকে দেখছেন গোল্ডম্যান স্যাকস। বেড়ে চলা এ জনসংখ্যার বড় একটি অংশ তরুণ। কর্মক্ষেত্রে তাদের প্রবেশে বাড়বে কাজের সংখ্যা। সঙ্গে বৃদ্ধি পাবে উৎপাদন, উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক সাফল্য। তবে এ ভবিষ্যদ্বাণী সঠিক করতে দরকার মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগের নিশ্চয়তা প্রদান। ২০২৫ সালে বিশ্ব অর্থনীতির তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। ১ নম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, তার পেছনেই চীন, জার্মানি, জাপান। তবে এ বছরের অনুমান হিসেবে জাপানকে অতিক্রম করে চতুর্থ স্থান দখল করবে ভারত। এভাবে এগোলে ৪৯ বছর পর ভারতের দুইয়ে আসার বিষয়টি পূর্বাভাস থেকে বাস্তব হতে দেরি নেই।




